ব্র্যাক ছাত্রী লাবণ্য হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নিহত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী লাবণ্যের হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে তার সহপাঠীরা। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় শেরেবাংলা নগর হৃদরোগ ইন্সটিটিউট সংলগ্ন রাস্তায় এ মানববন্ধন করেন।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লাবণ্য হত্যায় জড়িতদের শাস্তি এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধনে একাত্বতা প্রকাশ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের শিক্ষার্থীরাও।
লাবণ্য সহপাঠী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিইসি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহাদ জানান, লাবণ্যকে হত্যাকারী সেই কাভার্ডভ্যানের চালককে এখনো পুলিশ আটক করতে পারেনি। আমরা ওই চালককে শ্রীঘই আটক করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিইসি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহমিদা হক লাবণ্য কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নিহত হন। দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর হৃদরোগ ইন্সটিটিউট সংলগ্ন রাস্তায় ওই দুর্ঘটনার ঘটে।
একটি অ্যাপভিত্তিক মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। লাবণ্যর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সি জানান, শ্যামলীর বাসা থেকে ‘পাঠাও’ সার্ভিসের একটি মোটরসাইকেলে করে লাবণ্য ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে যাচ্ছিলেন। হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের পাশের রাস্তায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ওই মোটরসাইকেল। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন লাবণ্য।
তবে লাবণ্যর এক বন্ধু ফেসবুকে জানিয়েছেন, লাবণ্য ‘উবার মটো’তে (অ্যাপভিত্তিক আরেকটি সেবা) করে বিশ্ববিদ্যালয় যাচ্ছিলেন। একটি পিকআপ ভ্যানের চাপায় নিহত হন লাবণ্য। মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যানের চালক পলাতক।
এর আগে গত ১৯ মার্চ সুপ্রভাত পরিবহনের বাসের চাপায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সামনে নর্দ্দায় আবরার নিহত হন। এর প্রতিবাদে ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ওই ঘটনায় আবরারের বাবা গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করছে ডিবি।