জমকালো আয়োজনে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ৮ম সমাবর্তন
বর্ণিল আয়োজনের মধ্যদিয়ে ১৭টি বিভাগের ১৭জন স্বর্ণপদক জয়ী, সহস্রাধিক অভিভাবক আর ৫৬৩১জন গ্রাজুয়েট নিয়ে শেষ হলো ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ৮ম সমাবর্তন। গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় সমাবর্তনটি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, একটি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ তার শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। তোমরা সেই সম্পদের অন্তর্ভুক্ত হলে। তোমদের হাত ধরেই দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে জ্ঞান, মেধা ও দক্ষতা অর্জন করেছ তা দেশের কল্যাণে ব্যয় করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১ এবং রূপকল্প ২০৪১কে সামনে রেখে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বংয়সম্পূর্ণতা, নারীর ক্ষমতায়নসহ নানা ক্ষেত্রে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশকে এশিয়ার সবচেয়ে বিকাশমান অর্থনীতির দেশ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এই অগ্রযাত্রার পথে নবীন গ্রাজুয়েটদেরকে স্বীয় মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।
৮ম সমাবর্তন সম্পর্কে ডিআইইউর এক নবীন গ্রাজুয়েটের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এটি বাংলাদেশের কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। আমরা মনে করি ডিআইইউ আমারদের শিক্ষার এ পরিসরে এসে সম্পূর্ণটা দিতে পেরেছে।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, থাইল্যান্ডের সিয়াম ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. পর্নচাই মঙ্গখোনভানিত। তিনি বলেন, আমার সামনে দেখতে পাচ্ছি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, কর্পোরেট নেতা, ফার্মাসিস্ট, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ নানা পেশার মানুষ। তোমরাই এ দেশকে বদলে দেবে। শুধু তাই নয়, আমি বিশ্বাস করি, তোমরা পরবর্তী প্রজন্মের পথ মসৃণ করার জন্য মানবিক স্বপ্ন দেখবে এবং সেই স্বপ্ন পূরণে কাজ করবে।
সমাবর্তনে আরও বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনগণ।