ভাষা দিবস সৃষ্টির কারণ হলো—মাতৃভাষাগুলো যেন হারিয়ে না যায়
মাতৃভাষা রক্ষার অনুপ্রেরণা হিসেবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম। এভাষা দিবস সৃষ্টির কারণ হলো—মাতৃভাষাগুলো যেন হারিয়ে না যায়। সকল ভাষার মানুষের মাতৃভাষার অধিকারের কথা বলে মহান অমর একুশে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও জাতীয় শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (সিইউবি)—এ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস অডিটরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভার সভাপতি কোষাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম সিরাজুল হক তার বক্তব্যে মাতৃভাষা আর রাষ্ট্রভাষা মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করেন।
অধ্যাপক হক আরো বলেন, বীর শহিদদের স্বরন ও ভাষাকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্যেই ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে আমরা ছুটি পাই। ভাষাকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রমিত বাংলা ভাষা সর্বত্র ব্যবহারে গুরুত্ব দেয়ার জন্যে সকলকে আহ্বান করেন।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ এস এম জি ফারুক। তিনি তার বক্তব্যে ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ার পটভূমি নিয়ে আলোচনা করেন। যাদের অবদানে এই স্বীকৃতি আসে, কানাডিয়ান প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালামের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু গবেষক এবং ব্র্যান্ডিং, পিআর ও অ্যাডমিশন ডিরেক্টর আফিজুর রহমান। তিনি ভাষার সঠিক ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন ভাষা দিবসের সৃষ্টির কারণ হলো, মাতৃভাষাগুলি যাতে হারিয়ে না যায় এবং প্রতিটি মাতৃভাষাই যেন সংরক্ষিত থাকে।
সিএসসি বিভাগের ডিন ও অধ্যাপক মিফতাহুর রহমান “সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি” গান গেয়ে শোনান। আমরা যদি শুদ্ধ বাংলায় কথা বলি তাহলেই ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো হবে।
অধ্যাপক ড. জহরুল আলম মিফতাহুর রহমানের গানের প্রশংসা করে বলেন দেশের গান গুলি আমাদের উজ্জীবিত করে এবং সকলকে মাতৃভাষাকে সম্মান জানানোর জন্যে আহ্বান করেন।
আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এমসিজে বিভাগের লেকচারার আরউইন আহমেদ মিতু।