ডিআইইউ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের ‘মেশিন লার্নিং’ ওয়েবিনার
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে মেশিন লানিং এর গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। ঠিক তেমনি ভাবে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার, ডেভেলপমেন্টসহ নানান বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ক্লাব। সে ধারাবাহিকতায় গত ১০ই সেপ্টেম্বর ক্লাবটি মেশিন লানিংয়ের উপর “UNVEILING THE META ML ENGINEER JOURNEY: From Novice to Expert” শিরোনামে অনলাইন ওয়েবিনারের আয়োজন করে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক এবং ক্লাবের আহ্বায়ক মো. রাজিব মিয়ার সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে প্রধান স্পিকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন মেটার মেশিন লানিং ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ইমরান মাহমুদ, সহযোগী প্রধান ফজলে এলাহী। প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাদের মোহাম্মদ মাসুম । এসময় শিক্ষার্থীরা সরাসরি অনলাইনেরমাধ্যমে এই ওয়েবিনারে যুক্ত ছিলেন।
ওয়েবিনারে আব্দুল্লাহ আর মামুন মেশিন লানিংয়ের রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা করেন৷ মেশিন লানিংয়ের ফ্রি কোর্স বা রিসোর্স গুলো দিয়ে কাজ শুরু করতে বলেন। তিনি বলেন আজকের নবীনরা একদিন বিশেষজ্ঞ হবে। তাই অধ্যবসায়ের সাথে তাদের বিষয়গুলো রপ্ত করতে হবে। সেসময় তিনি প্রজেক্ট বানানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
ওয়েবিনারে মেটায় ইন্টার্নশিপ পাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ' ইন্টার্নশিপের জন্য মেটা থেকে দুটি কোডিং রাউন্ড হয়, পাশ করতে পারলে মেটা থেকে ইন্টার্নশিপের অফার করবে। এর পাশাপাশি তারা দেখে কত দ্রুত প্রবলেম সমাধান করতে পারে এবং ডেলিভারি দিতে পারে। এছাড়াও বিভিন্ন ইন্টারভিউয়ে কল পাওয়া জন্য লিংকডিন আপডেট রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
ডিআইইউ'র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ক্লাবের আহ্বায়ক মো. রাজিব মিয়া বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা আনন্দিত মেটার মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পেয়ে। এই ওয়েবিনারে শিক্ষার্থীরা ওনার কাছ থেকে প্রোগ্রামিং জগতের অনেক ব্যাপারে শিখতে পেরেছে, দিক নির্দেশনা পেয়েছে ইন্ডাস্ট্রির ভেতরকার সব বিষয়ের উপর। প্রয়োজনীয় এসব সেমিনারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ডিআইইউ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব সব সময় শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। যাতে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবটিকস, মেশিন লার্নিং, সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এসব বিষয়ের প্রতি নিজেদের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলে।