১২ মে ২০২২, ০৭:১৯

প্রাথমিকে নতুন রুটিনে ক্লাস শুরু

আজ থেকে নতুন রুটিনে ক্লাস হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  © ফাইল ছবি

ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ বৃহস্পতিবার থেকে খুলেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এদিন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সময়সূচি মেনে শ্রেণী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় কীভাবে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান, মে দিবস, শবে-কদর, জুমাতুল বিদা, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ১১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ১২ মে (আজ) থেকে নতুন সময় অনুযায়ী সরাসরি শ্রেণী কার্যক্রম শুরুর জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।

ক্লাস রুটিন

১. এক শিফট বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে বুধবার ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার বিকেল ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এবং তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত শ্রেণী পাঠদান চলমান থাকবে।

২. দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা এবং বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী সকাল ৯টা থেকে সকাল ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণী বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত) শ্রেণী পাঠদান চলমান থাকবে।

৩. এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণী কার্যক্রম শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।

৪. এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে দৈনিক সমাবেশ সকাল ৯টা থেকে সকাল ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে দৈনিক সমাবেশ সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সকাল ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনা করতে হবে।

৫. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে রুটিন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমোদন নেবেন।

আরো পড়ুন: প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে পদে পদে কোটা, যেভাবে পূরণ হয়

৬. ঢাকা মহানগরীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময়সূচির ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারির পরিপত্র অনুসরণ করবেন।

৭. শিখন ঘাটতি পুরণে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নির্দেশনা চলবে বলেও জানানো হয়েছে।