শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে প্রস্তুতির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে: ডিপিই মহাপরিচালক

আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম  © ফাইল ফটো

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ছুটি আরও একদফা বাড়িয়ে ১২ জুন পর্যন্ত করা হয়েছিল। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ১৩ জুন থেকে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। সে অনুযায়ী, আর মাত্র এক সপ্তাহ পরে খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষিত সময় এগিয়ে আসলেও অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো প্রস্তুত নয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক বিদ্যালয়ের মাঠ ব্যবহার হচ্ছে ভিন্ন কাজে। অবশ্য সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, এখন তৃতীয় দফার প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তারপরও সব স্থানে খোঁজ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, গত ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ছিল। তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশনা ছিল। পরে বাস্তব কারণে খোলা হয়নি। কিন্তু পরিষ্কার করে থাকলে পরিস্থিতি নাজুক থাকার কথা নয়। মাঠপর্যায়ে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

ডিপিই মহাপরিচালক বলেন, অনেক স্কুলের সংস্কার কাজ চলছে। এজন্য কাজের সামগ্রী সেখানে রাখা হয়েছে। এখন আমরা ১৩ জুন স্কুল খোলার চিন্তা করছি। এ জন্য এলজিইডিকে চিঠি দিয়ে নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে অন্য কাজের সামগ্রী স্কুলে রাখা হয়েছে কিনা আমাদের জানা নেই। সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে ১৩ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তারা বলেছিলেন, ১৩ জুন থেকে দেশের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্তটি নির্ভর করছে আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার ওপর। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে এসময় তিনি জানান।


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ