১৫ নভেম্বর থেকে স্কুল খোলার কোনও সত্যতা নেই: প্রাথমিকের ডিজি

  © ফাইল ফটো

আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে বিদ্যালয় খুলবে, এটা ভুল ব্যাখ্যা উল্লেখ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেছেন, বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেই যে কবে স্কুল খুলবে। যা হবে দুই মন্ত্রণালয় বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

ডিজি বলেন, আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর বন্ধ তার মানে ১৫ নভেম্বর থেকে বিদ্যালয় খুলবে এটা ভুল ব্যাখ্যা। এটার কোনও সত্যতা নেই। আমরা অনেকবারই তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছি। তার মানে ছুটির পরের দিন থেকে কি বিদ্যালয় খুলেছি? কোনও ভুল মেসেজ যেন না যায়।

এদিকে, স্কুল রিওপেনিং প্ল্যান অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের স্থানীয়ভাবে পরিকল্পনা তৈরি করে জেলা শিক্ষা অফিসারদের পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় পরিকল্পনা জেলা শিক্ষা অফিসারের দফতরে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানান মহাপরিচালক।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মৌলিক সক্ষমতা (কোর কম্পিটেন্ট) অর্জনে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে ১ নভেম্বর থেকে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিল মন্ত্রণালয়। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর কারণে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমি (নেপ) ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রস্তুত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পাঠায়। ওই সিলেবাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগে থেকে খোলার বিষয়ে পূর্বপ্রস্তুতি এখনও নেয়নি সেসব প্রতিষ্ঠানকে মৌখিকভাবে নির্দেশ দিতে বিভাগীয় উপ-পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম।

ডিজি আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে স্কুলের অবকাঠামো ও শিক্ষার্থী সংখ্যা বিবেচনা করে বিদ্যালয় রিওপেনিং প্ল্যান অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের স্থানীয়ভাবে পরিকল্পনা তৈরি করে জেলা শিক্ষা অফিসারদের পাঠাতে বলা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে স্থানীয় পরিকল্পনা তারা জমা দেবেন। বিদ্যালয় পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই পরিকল্পনা করার কথা ছিল। অনেক বিদ্যালয় তা করেনি। একটি বিদ্যালয়ের রুম অনুযায়ী কতজন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে আনলে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব, জটলা হবে না, সেই পরিকল্পনা এখনও অনেক বিদ্যালয় জানায়নি।


সর্বশেষ সংবাদ