২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:৫৮

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতকে প্রার্থী তালিকা দিয়েছে মহিলা বিভাগ, আলোচনায় যারা

মারদিয়া মমতাজ, নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, সাবিকুন্নাহার মুন্নী ও ডা. আমেনা বেগম (বাম থেকে)  © টিডিসি সম্পাদিত

সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে শপথ নিয়েছেন ২৯৭ আসনের সংসদ সদস্য। সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চ মাসের ১০-১২ তারিখের মধ্যে বসবে সংসদের প্রথম আধিবেশন। এর আগেই সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের প্রার্থী ঠিক করতে কাজ করছে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যন্যরা।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পায়। আসন অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে দলটি পাবে ৩৫টি। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১টি আসন পাবে। অন্য ৩টি আসন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নিজস্ব প্রতীকে জয়ী ছোট দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে। দলগুলো হলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণ অধিকার পরিষদ ও খেলাফত মজলিস।

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ঠিক করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের মহিলা বিভাগ থেকে পরামর্শ নিয়েছে। এই পরামর্শে আসা নামগুলো নিয়ে আলোচনার পর দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও পেশাজীবীদের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জামায়াতের মহিলা বিভাগের আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন্নাহার মুন্নী, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সেক্রেটারি ডা. ফেরদৌস আরা খানম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজের নাম আলোচনায় আছে।

তরুণ ও যারা ভালো কথা বলতে পারেন তাদেরকেও এই তালিকায় যুক্ত করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়া বিগত সরকারের সময় বিতর্কিত বিচারের মাধ্যমে যেসব জামায়াত নেতাদের ফাঁসি দেয়া হয়েছিল তাদের পরিবার থেকেও কয়েকজনকে এই তালিকায় দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

নারী প্রার্থী দেয়ার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা পরামর্শ হিসেবে একটা তালিকা দিয়েছি। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।