চট্টগ্রাম-১ আসনে ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ৫ সংসদ সদস্য প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে ৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। বিএনপি মনোনীত নুরুল আমিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৮১ হাজার ২২৭ ভোট।
নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী, ‘নির্বাচনী নিরাপত্তাজনিত’ সংসদীয় আসনের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জামানত হিসেবে প্রার্থীদের ২৫ হাজার টাকা জমা রাখতে হয়। এই অর্থ ট্রেজারি চালান বা কোনো তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা দিতে হয়। জামানত বাজেয়াপ্তের শর্তমতে, একটি নির্বাচনী এলাকায় যত ভোট পড়ে তার শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীরা যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। মিরসরাই আসনে ৩ হাজার ৮৬ হাজার ৬৭৪ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ২ হাজার ১৯ হাজার ৪১৬ জন, বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৫৭৪ ভোট। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের হার ৫৫.৩০%। গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৪০ এবং না ভোট দিয়েছেন ৮৭ হাজার ৬৩৫ জন।
এই আসনের প্রার্থীদের ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা) পেয়েছেন ২ হাজার ৬৪ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন (লাঙল) পেয়েছেন ১ হাজার ৬৩১ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী রেজাউল করিম (আপেল) পেয়েছেন ৭৫৮ ভোট, মুসলিম লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী হাত (পাঞ্জা) পেয়েছেন ২৬৬ ভোট, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) প্রার্থী অ্যাডভোকেট একে এম আবু ইউসুফ (তারা) পেয়েছেন ২৫২ ভোট।
মিরসরাই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার জানান, জামানত বাজেয়াপ্তের শর্তমতে ভোট না পাওয়ায় মিরসরাই আসনে ৫ জন সংসদ সদস্য প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।