১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৫৫

এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলের কত

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির লোগো  © সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন মোট তিনজন প্রার্থী। তাদের মধ্যে দুইজন বিএনপির এবং একজন জামায়াতে ইসলামীর। তারা হলেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান, রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ ও সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আবদুল খালেক। এ ছাড়া এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আরও ২৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ২৬ জন বিএনপির, একজন জামায়াতের এবং একজন জামায়াতের নির্বাচনী জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির।

নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান। ১ লাখ ৭০ হাজার ৩২২ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন তিনি। ধানের শীষ প্রতীকে দীপেন দেওয়ান পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পহেল চাকমা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।

রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৫ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত–সমর্থিত নির্বাচনী ঐক্যের জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির প্রার্থী জামিল হিজাযী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট।  

সাতক্ষীরা-২ আসনে বড়  ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াত নেতা মুহাদ্দিস আবদুল খালেক। জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে তিনিই একমাত্র দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২২৯ ভোট। ফলে আবদুল খালেক ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

গাইবান্ধা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২ হাজার ৭২৯।

বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৫৯ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৮১। 

বগুড়া-৫ আসনে বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৫ হাজার ৫১৯। 

বগুড়া-৬ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৫০টি কেন্দ্রের ফলাফলে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়েছেন। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮। 

বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর  গোলাম রব্বানী পেয়েছেন  ১ লাখ ১৫ হাজার  ১৮৪ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৭।  

পাবনা-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. হেসাব উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৭৭ ভোট।  তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬৩ ভোট। 

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপির প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়েছেন। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোট। 

পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশেড় প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৩১০ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৫ হাজার ৭৭৭ ভোট।  

ভোলা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪ ভোট। 

টাঙ্গাইল-২ আসনে ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম (পিন্টু)।   তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪২ ভোট। 

জামালপুর-৩ আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল) ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট পেয়েছেন। ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৭ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হন।

জামালপুর-৪ আসনে ৮৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম) ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট পেয়েছেন। ১ লাখ ২ হাজার ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার বিজয়ী হয়েছেন। 

নেত্রকোনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি চিকিৎসক আনোয়ারুল হক ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৩৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির ফাহিম রহমান খান পাঠান শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। আনোয়ারুল হক ১ লাখ ৪ হাজার ৩২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট। লুৎফুজ্জামান বাবর ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ–৬ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম। তিনি ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমীন। তিনি ৪৪ হাজার ৯৫ ভোট পেয়েছেন। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪।

মানিকগঞ্জ-৩  আসনে বিএনপি–মনোনীত আফরোজা খানম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাইদ নূর রিকশা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট। আফরোজা খানম ১ লাখ ৩ হাজার ১০৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। 

ঢাকা-২০ আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫।  

সিলেট-৪ আসনে বিপুল ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের প্রাপ্ত ভোট ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট। এতে বিএনপির প্রার্থী ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৫ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।   

মৌলভীবাজার-৩ আসনে বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ছেলে ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. নাসের রহমান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৪২টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৯৭ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৪৫।  

মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২০ হাজার ৬৭৩। 

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে ১৮৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী এস এম ফয়সল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট। ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৩ হাজার ৭৪৯।  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী খালেদ হোসেন মাহবুব নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ। তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট।

কুমিল্লা-৪ আসনে ১১৬ কেন্দ্রের সবগুলিতেই জয় পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন  শাপলা কলির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের জসীমউদ্দীন পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৮৫ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৮। 

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী শফিকুল আলম হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ১৮৭। 

চাঁদপুর-২ আসনে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৫০ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন। আসনটির মোট ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের একটিতেও হারেননি তিনি।  নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত জোটের প্রার্থী বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৩৩ ভোট। 

চট্টগ্রাম-৫ আসনে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীন পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫৮৯ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৪৬৫ ভোট। 

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের বেসরকারি ফলাফলে ১১৩ কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলে বিএনপির মো. এনামুল হক ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোমবাতি মার্কার সৈয়দ সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ার ২৮ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়েছেন। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৬ হাজার ৪৫ ভোট।

বান্দরবান আসনে বিএনপির প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরী ১ লাখ ১৫ হাজার ২৯৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট।