ঢাকা-১৫ আসনে বিজয়ী জামায়াত আমির
ঢাকা-১৫ আসনের ১২৮টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টন পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। ২১ হাজার ৬১৪ ভোটে জয় পেয়েছেন জামায়াত আমির।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের চারজন ভোটার রয়েছে। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১২৮।
প্রেস ব্রিফিংকালে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে পরাজিত করতে একটি বিশেষ মহলের ইঙ্গিতে নির্বাচনী কর্মকর্তারা কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেছেন, ষড়যন্ত্র করে ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা. এসএম খালেদুজ্জামানকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়েছে। একই ভাবে জামায়াত আমিরের ঢাকা-১৫ আসনের ফল এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, এখনো বিভিন্ন আসনে ফলাফল ঘোষণা হয়নি। অথচ সে আসনগুলোতে ভোট গণনা করে ইতিমধ্যে সেটা জমা হয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে যে সমস্ত আসনগুলোতে ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ আছেন, সে সমস্ত আসনগুলোর ফলাফল ঘোষণা হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় নিয়ে কিছু আসনের ফলাফল ঘোষণা হচ্ছে। কিন্তু বিদ্যমান যে রেজাল্ট শিট আমাদের হাতে আছে, আমাদের এজেন্টরা যে শিট আমাদের দিয়েছেন, সেটির সাথে সেটা মিলে না।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যারা আছেন, আমাদের তো মনে হচ্ছে যে এখানে রিটার্নিং অফিসারসহ বিভিন্ন আসনের যারা আছেন, তারা কোন একটি বিশেষ মহলের ইঙ্গিতে এ ধরনের কিছু কাজ করছেন— যেটি জনগণের শঙ্কা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। কারণ কিছু কিছু আসনে তড়িৎ গতিতে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে, যেখানে আমাদের প্রতিপক্ষ অন্যান্য দলের আসনে, যারা আছেন তাদের নাম ঘোষণা করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের আসনগুলোতে ঘোষণা করা হচ্ছে না। এমনকি আমাদের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেব, তার আসনের রেজাল্ট আমরা ৮টায় পেয়ে গেছি, সাংগঠনিকভাবে আমাদের যারা ছিলেন তারা আটটাই পেয়ে গেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেটা ঘোষণা হয়নি। কিছু ঘোষণা হবে বলা হচ্ছে। কিন্তু যখন পরে ঘোষণা করা হয়েছে, আমরা ফলাফল যোগ করে দেখেছি, ঘোষণা যখন হচ্ছে তখন ভিন্ন রেজাল্টটা দেওয়া হচ্ছে।