মায়েদের গায়ে হাত উঠলে বাংলাদেশ বিস্ফোরিত হবে, সন্তানেরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকবে না
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যে দলের নেতারা হাসিমুখে ফাঁসির তক্তার ওপর দাঁড়াতে পারে, তাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। আমরা আপনাদের অনুনয় বিনয় করছি, মায়ের গায়ে হাত উঠলে বাংলাদেশ বিস্ফোরিত হবে। মায়ের সন্তানেরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকবে না।
তিনি বলেন, উই ওয়ান্ট জাস্টিস বলে যে যুবকরা রাস্তায় নেমে আসছিলো, তারা কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না। আপনার কর্মসূচি আদর্শ নিয়ে জনগণের কাছে পৌঁছে যান। আমার কাজে বাঁধা দেবেন না। ২৪ এখনো চলছে না? ২৪ চলবে, যতক্ষণ না আঠারো কোটি মানুষের মুক্তি নিশ্চিত না হবে। জেগে থাকবেন। এখন থেকে পাহারা দিবেন। নির্বাচন নিয়ে কেউ যদি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে, তাহলে আল্লাহর উপর ভরসা করে সমান পরিমাণ জবাব দিবেন। বেশি দিতে যায়েন না। তবে নিজে জবাব দেয়ার আগে যথাযথ কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনকে অবহিত করবেন৷ যদি দেখেন প্রশাসন করছে না, এটি সন্ত্রাসীদের অভয়ারন্য হয়ে গেছে তাহলে আপনার ওপর ওয়াজিব হয়ে যাবে এটি প্রতিহত করা।
যুবকদের দেশ চালানোর যোগ্যতা অর্জনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের যুব সমাজ তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মর্যাদার কাজ হাতে পেতে চায়। আল্লাহ আমাদের নির্বাচিত করলে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ হাতে তুলে দিয়ে বলবো, তোমরাই বাংলাদেশ। আমরা যুবকদের হাতে এই বাংলাদেশ তুলে দিতে চাই। তোমরা তৈরি হয়ে যাও।
তিনি বলেন, যুবকরা রাস্তায় নেমেছিল কাজের অধিকার চাইতে। তোমরা কি মিছিল করে বলেছিলা? আমরা বেকার ভাতা চাই! বেকার ভাতা দিয়ে আমরা যুব সমাজকে অপমান করতে চাই না।
এই বাংলাদেশের ভার তোমাদের বহন করতে হবে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, মায়ের ইজ্জত যারা নষ্ট করে, তারা বিরুদ্ধে। ইনশাআল্লাহ এদেশ দাঁড়িয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সন্তানরা বেঁচে থাকলে, আমরা আপনাদের জন্য দুটি কাজ তিনটি জায়গায় করবো, কাজ দুটি হলো নিরাপত্তা ও সম্মান ; আর জায়গা তিনটি হলো ঘর, চলাচল ও কর্মস্থল। এই নিয়ামত আপনাদের হাতে তুলে দিবো। সমালোচকদের জবাবে তিনি বলেন, বলা হয়, আমরা আপনাদের বন্দী করে রাখবো। আপনারা এখানে আসেননি? আল্লাহর রাসূল মায়েদের যুদ্ধের ময়দানে যোদ্ধা হিসেবে নিয়ে গেছেন। আমি কে আমার মাকে ঘরে বন্দী রাখার!
আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) শেরপুরে ১১ দলীয় নির্বাচনীদ ঐক্যের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দেখবো না, সেই মা কোন ধর্মের। দেখবো তার যোগ্যতা ও দেশপ্রেম আছে কিনা। ধর্ম বর্ণের ভেদাভেদ আমরা করবো না। এই দেশ মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান, এই চারটি ধর্মের দেশ। এই চার ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে ফুলের বাগান সাজাতে চাই। এক জাতের গাছ দিয়ে বাগান হয় না। জোর করে একের ধর্ম আরেকজনের ওপর চাপানোর অধিকার আমাদের নেই।
তিনি আরও বলেন, সবগুলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দল আমরা ছিলাম মজলুম। আমাদের নিবন্ধন কেড়ে নেয়া হয়েছে। আমাদেরও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। পতনের চারদিন আগে আমরাও নিষিদ্ধ। পঞ্চম দিনে আল্লাহ তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন। বুলডোজার দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। যখনই চব্বিশ পরিবর্তন এনে দিলো। আমরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করিনি, রাস্তায় মিছিল করিনি, স্লোগান দেইনি, আল্লাহর দরবারে সিজদা দিয়ে শুকরিয়া আদায় করেছি। “ফাসাব্বিহ বিহামদি রাব্বিকাহ ওয়াসতাগ ফিরহু। তোমরা তাসবি পড়, আর হামদ পড়, এই কাজ করতে গিয়ে যদি তোমাদের ভুলত্রুটি হয়ে যায়, তাহলে সেজদায় পড়ে তার ক্ষমা প্রার্থনা করো। আমরা কারো ওপর থেকে দলীয়ভাবে কোনো প্রতিশোধ নেবো না। তবে ব্যক্তি কিংবা কোনো পরিবার বিচার চাইলে আমরা তাদের পূর্ণ সহযোগিতা করবো। আমরা জাতির সাথে কথা রেখেছি। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের ৫৬ হাজার বর্গমাইলে কেউ বলতে পারবে না; বিগত ১৭ বছরে আমাদের অনেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু সাবধান! কারও সম্পদে হাত বাড়াইনি।
আমীরে জামায়াত আরও বলেন, আমরা বলে দিয়েছিলাম, কোনো চাঁন্দা, বাটপারদের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না। আপনারা সাক্ষী, কেউ ওনাদের চাঁদাবাজ বলতে পারবে না। আমরা বলেছিলাম, এখানে ওখানে দখল বাণিজ্য, এটি আমাদের কাজ নয়। আমাদের আল্লাহ আমাদের নবী করীম (সা.) আমাদের এটি শিক্ষা দেননি। আপনারা সাক্ষী, আমরা সেই কাজ করিনি। আমরা বলেছিলাম, অতীতে যারা অপরাধ করেছে, তাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে আমরা মামলা বাণিজ্য করবো না। সুনির্দিষ্ট অপরাধের বিরুদ্ধে মামলা হবে, নিরীহ কোনো মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হবে না। আমাদের মামলায় শতশত আসামি নেয়, আর হাজার হাজার মামলাও নেই৷ এই ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছি। আপনারা শুনলে অবাক হবেন, বাংলাদেশে আমরা সর্বোচ্চ মামলা করেছি ১২০০ টি। এর মাঝে ৮টি মামলা আছে আসামী মাত্র এক জন। আমরা দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি খুঁজে পাইনি। কেন অন্যজনের নাম দিবো, এটি হারাম, এটি আমরা করিনি। অনেকে আছে হাজারে হাজারে মামলার আসামি করে তাদের কাছে অনেক কিছু গ্রহণ করেছে। এসব হারাম, একটি নিরীহ মানুষকে কষ্ট দেয়াও হারাম। এত কষ্টের মধ্যে থেকেও কেন আমরা তা করলাম না? কারণ, আমরা আল্লাহকে ভয় করি। কারণ, আমরা দেশকে ভালোবাসি, দেশের মানুষকে ভালোবাসি। আমরা সেই ভালোবাসা, সম্মানের দেশটি গড়তে চাই। দুঃখজনক, সেই ভালোবাসা সম্মানের দেশটি তৈরি করতে যেয়ে নির্বাচন আমাদের সামনে। দুটি ভোট আমাদের জন্য, গণভোট ও সাধারণ নির্বাচন।
শেরপুরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আপনাদের পাশের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় চেয়ারে বসা, কে সামনে পিছনে বসবে এটি নিয়ে একজন মানুষকে খুন করে ফেলা হল। আরো তিনজন হাসপাতালের বেডে জীবন-মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা যেন তাদের সুস্থতার নিয়ামত দিয়ে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। তিনটি দিন হয়ে গেলে? একজন আসামিও গ্রেফতার হয়নি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে এয়ারপোর্টে আমার সরাসরি দেখা হয়েছে। জিজ্ঞেস করলাম, অগ্রগতি কতদূর? তিনি বললেন, সম্ভবত মামলা হয়নি।
আজ পর্যন্ত আমাদের কাছে এই মামলার কোনো অগ্রগতি নেই। তাহলে আমরা কার দিকে চেয়ে আছি। তিনি আমার সামনে থেকে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ফোন করলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কী করলেন আপনারা? দুষ্টের দমন করবেন, শিষ্টের পালন করবেন আপনারা, এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি করতে পারলেন না আপনারা। তিনি আমাকে বললেন, দেখতেছি। আমি বললাম, এটি কি কিয়ামত পর্যন্ত চলবে? আমি ভিজিবল ডেভেলপমেন্ট দেখতে চাই।
হত্যাকাণ্ডের পর জনতার সংযমের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বলবো না, জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নিক। এটি কোনো সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে না। আমরা অভদ্র নয়, তবে আমরা দুর্বল এবং কাপুরষ নয়, এটিও মনে রাখবেন।
তিনি বলেন, মায়েদের বিভিন্ন জায়গায় অপমানিত অপদস্ত করা হচ্ছে। আপনারা নিজের পরিবারের মাকে স্ত্রীকে সম্মান করতে শিখুন। যদি নিজের পরিবারকে সম্মান করতে শিখেন, তাহলে অন্যের মাকেও সম্মান করতে পারবেন। আর যদি নিজের স্ত্রী, মাকে সম্মান করতে না জানেন- তাহলে আপনি মানুষ নামের কলঙ্ক। বহু জায়গায় মায়েদের গায়ে পর্যন্ত হাত দেয়া হয়েছে। কোনো উন্মাদ তো বলে ফেলেছে। আপনারা মিডিয়ায় দেখেছেন, বোরকা পরা, নেকাব পরা কোনো মহিলা ভোট চাইতে আসছে দেখলে ওর কাপড় খুলে ফেলবা। এরা কোন প্রজাতি? এটি আমার কথা না। কুরআনের ভাষায়- ‘এরা চারপায়া জন্তু।’ আল্লাহ আরও বলেছেন, ‘এরা তার চেয়েও নিকৃষ্ট।’ চারপায়া জন্তুকে আল্লাহ বিবেক দেননি, তারা না বুঝে করে, কিন্তু মানুষকে বিবেক দিয়েছেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভয় দেখানো হয়। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে খুবই বৈষম্য করা হয়। এসময় পুলিশ, সেনাবাহিনীর বেতন বৈষম্যের উদাহরণ দেন তিনি।
আমীরে জামায়াত বলেন, সবাই সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারবে, যাতে তারা সম্মানের সাথে নিজের সকল যোগ্যতা উজাড় করে দিয়ে দেশের সেবা করতে পারে। যারা চাঁদাবাজি করে তাদেরও কোনো ভয়ের কারণ নাই। তারাও আমাদের সন্তান। তারা তওবা করবে, মাফ চেয়ে নিবে, পারলে যার কাছ থেকে টাকা নিছে, তা ফেরত দিয়ে দিবে। তাদের হাতেও কাজ তুলে দেবো। সবাই মিলে আমরা দেশ গড়তে চাই, এ কাজে কেউ আমাদের বাধা দিয়ে থামাতে পারবে না।
নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া ও অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট বিষয়ে তিনি বলেন, মায়েদের কি পরিমাণ সম্মান করি তা বাংলাদেশের ৯ কোটি মা সাক্ষী। আমার একটা টুইটার যেটাকে এখন এক্স বলা হয়, একাউন্ট হ্যাক করে এখন থেকে ১৫ ঘণ্টা আগে, অত্যন্ত বাজে, অরুচিকর, কুরুচিকর মন্তব্য দিয়ে দিছে মায়েদের নিয়ে। একটা দল দেখলাম হই হই রই রই করে মিছিল শুরু করে দিছে। যারা মায়েদের সম্মান করতে জানে না, তারা এখন মিছিল শুরু করে দিল। এই কাজ কে করেছে? ঠাকুর ঘরে কে-রে, আমি কলা খাইনি। কলা মুখে নিয়ে বলতেছে, আমি কলা খাইনি। কলা অর্ধেক খাওয়া অবস্থায়। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাবধান করে দিচ্ছি! এই কাজ করবেন না। একেবারেই ইতর শ্রেণী না হলে এই কাজ করতে পারে না। আপনি আপনার কর্মসূচি আদর্শ দিয়ে আমাকে মোকাবিলা করুণ। চোরাই পথে কেন? -প্রশ্ন রাখেন তিনি।
এডমিনের নিয়ন্ত্রণে এসেছে উল্লেখ করে সাময়িক অপতথ্যের কারণে কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন আমীরে জামায়াত। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমার বক্তব্য ভালো না হলে পায়ের নিচে ফেলে দেবেন, কিন্তু পরিবর্তন করে দেবেন না। আমার বক্তব্যটা আমার মতো করে দেবেন, যেভাবে আমি বলেছি। দু একটা মিডিয়া এরকম আমার বক্তব্য টুইস্ট করে কাটাকাটি করে।
শেরপুর অঞ্চলের কিছু দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছি, বাংলাদেশের কোনো জেলা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়হীন থাকবে না। দক্ষ জনশক্তি ছাড়া কিছু যন্ত্রপাতি আর বিল্ডিং করে দিলে বিশেষায়িত হাসপাতাল করে দিলে হবে না। বরং এটি মানুষ মারার আরেকটি রিফাইন কারখানা হবে। এজন্য আমরা মেডিকের কলেজ দিয়ে শুরু করবো, ওটা হবে ইনশাআল্লাহ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রেললাইন সম্প্রচারণ করা, সারা বাংলাদেশকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা দুটি কারণে প্রয়োজন। কারণ এই জার্নিটা সেইফ এবং লেস কস্টলি। ব্যয় কম, এবং তুলনামূলক নিরাপদ। ইনশাআল্লাহ, এটি আমরা ন্যায্যতার ভিত্তিতে দেখবো। ভেজিটেবল ইপিজেট। যে শাকসবজি, ফলমূল উৎপাদন হয়, তা পঁচে গলে নষ্ট হয়ে যায়। তাই দ্রুত বিক্রি করে দিতে হয়। ইন্ডাস্ট্রি না করলে কাজ আসবে কী করে? ইন্ডাস্ট্রি করবো, কাজও তুলে দেবো। মাথা গরম করবো না আমরা। দেশ থেকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, ও সন্ত্রাস চলে যাওয়ার জন্য লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে।
বক্তব্যের শুরুতে আমীরে জামায়াত শহীদ কামরুজ্জামানকে আমি স্মরণ করে তিনি বলেন, এই মানুষটার লাশটিকেও তারা সহ্য করতে পারেনি। ভালোবাসা কায়েম করো, জোর করে আদায় করা যায় না। মাত্র কয়েকদিন আগে তরতাজা শহীদ। প্রশাসনের ডাকে একটি মিটিং। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে একজন আলেমেদীন, একজন শিক্ষক রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অবশ্য যারা হত্যা করেছেন, তাদের জন্য এটি নতুন না। আমরা তো তাদের দলের না। নিজের দলের ২ শতাধিক মানুষকে যারা হত্যা করে ফেলেছে।
তিনি বলেন, যারা মানুষকে নিরাপত্তা দেয়ার বদলে খুন করে ফেলে, এটি আবার কোন ধরণের রাজনীতি। সবচেয়ে মজলুম সংগঠনের নাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এক এক করে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় ঠান্ডা মাথায় ১১ জন শীর্ষ নেতাকে খুন করা হয়েছে। হাজার এর উপর সহকর্মীকে দুনিয়া থেকে বিনা বিচারে বিদায় করা হয়েছে। সাতশোর মতো সহকর্মীকে আয়না ঘরে বন্দি রাখা হয়েছে। তাদের আটজনের খবর-হদিস এখনো জানিনা।