‘দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হলে ছাত্রলীগের ন্যায় শিবিরকেও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, বিগত দীর্ঘ দুঃশাসনে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যত অন্যায়, অত্যাচার ও অনাচার হয়েছে অর্ধেক তার করিয়া আছে ছাত্রলীগের অর্ধেক তার শিবির।
আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আবিদ বলেন, এই দীর্ঘ দুঃশাসনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর যারা নির্যাতন ও নিপীড়ন করেছে, সেসব ছাত্রলীগকে যেমনভাবে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। এখন জামায়াত-শিবিরের সেল্টারে যারা আছে, যেদিন বাংলাদেশে যথাযথভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে তাদেরকে সেই বিচারের আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের সময় ছাত্রলীগের ভেতরে একজন গুপ্ত শিবিরও ছিলেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে জামায়াত এবং শিবিরের প্রমিনেন্ট আইনজীবী তাকে বাঁচানোর জন্য লড়াইয়ে নেমেছিলেন। কিন্তু জনগণের জনরোষের কবলে তিনি সেখান থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিকে যারা কলুষিত করেছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক যে অপসংস্কৃতি প্রচলন ছিল। বিগত সময়ে ছাত্রলীগ যেমনভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ত্রাসের রাজত্ব করেছে একইভাবে গুপ্ত শিবিরও ছাত্রলীগের ভেতরে থেকে ত্রাসের রাজত্ব করেছে।
এসময় শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ, ঢাবি ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম, শেখ নুর উদ্দিন আবির, তানভীর আল হাদী ও কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারত শেষে আবরার, ইলিয়াস, ওসমান হাদীসহ সকল শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়।