৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৭

মৃত্যু নিয়ে লাইভ: যুবদল নেতার বহিষ্কার নিয়ে যা জানা গেল

যুবদলের লোগো এবং যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম  © টিডিসি ফটো

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা জামায়াত নেতা হত্যার পর যুবদল নেতা সাইফুল ইসলামও হত্যার শিকার হয়েছেন- এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ফেসবুক লাইভে এসে ‘মারা যাননি; বরং বেঁচে আছেন’ বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

সম্প্রতি ফেসবুকে ‘শেরপুরে জামায়াতের হামলায় দলীয় নির্দেশ অমান্য করে খুন না হয়ে লাইভে আসায় যুবদল নেতা বহিষ্কার’ শীর্ষক একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টটি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মন্তব্য থেকে দেখা যায়, অনেকেই যাচাই-বাছাই ছাড়াই খবরটি বিশ্বাস করছেন।

তবে বহিষ্কারের দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছেন সাইফুল ইসলাম নিজেই। তিনি জানান, তাকে ‘দল থেকে বহিষ্কারের যে খবর’ প্রচার করা হচ্ছে, তা গুজব ছাড়া কিছুই নয়।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ায়, জামায়াতের হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। পরে তিনি লাইভ ভিডিওতে এসে স্পষ্টভাবে জানান, তিনি জীবিত আছেন এবং মৃত্যুর খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে একটি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল এবং জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চেয়ার বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এর এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত শতাধিক কর্মী-সমর্থক আহত হন।

পরে সন্ধ্যায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়াই মৃত্যুর পর বহিষ্কারের মতো সংবেদনশীল গুজব ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে বিভ্রান্তি বাড়ছে।