বরগুনা জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বরগুনা দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল (এমএ) মডেল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মো. মহিব্বুল্লাহ হারুনের বিরুদ্ধে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যক্তি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে বরগুনার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তাছলিমা আক্তারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন পাথরঘাটা উপজেলার বড় টেংরা এলাকার বাসিন্দা মো. ইব্রাহীম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও পরে তা প্রত্যাহার করেন মো. মহিব্বুল্লাহ হারুন। তিনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রচারণায় অংশ নেওয়া আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের পক্ষে গত ২৫ জানুয়ারি বেতাগীর বিবিচিনি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন মো. মহিব্বুল্লাহ হারুন। এছাড়া তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালান, যা ‘নির্বাচনী আচরণবিধি ২০২৫’-এর ২০ (খ) ধারার পরিপন্থী। ওই ধারায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, তার স্থায়ী বাসস্থান বরগুনা সদরে হলেও তিনি বরগুনা-২ আসনজুড়ে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা আচরণবিধি লঙ্ঘনের সামিল।
এ বিষয়ে মো. মহিব্বুল্লাহ হারুন বলেন, 'আমি শিক্ষকতা করি। ২০১৪ সালে আওয়ামী আমলে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এই নির্বাচনে প্রার্থীও ছিলাম, প্রচারণা করেছি। পরে দলীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। আমি এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দলীয় সভায় বক্তব্য দিতে পারব না—এটা আমার জানা নেই। কারণ আমি নিজেই প্রার্থী ছিলাম।'