২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৭

নাহিদের আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পোস্টার সাঁটানোর অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে

নাহিদের আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পোস্টার সাঁটানোর অভিযোগ উঠেছে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে  © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আসনের বিএনপি প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। আচরণবিধিতে পোস্টার টানানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু ঢাকা-১১ (রামপুরা-বাড্ডা-ভাটারা) আসনের পূর্ব রামপুরার মারকাযুত তাকওয়া বাংলাদেশ মাদ্রাসার সামনে ও আশেপাশের বিভিন্ন গলিতে এই প্রার্থী পোস্টার টানানো দেখতে পাওয়া গেছে।

নির্বাচনী আচরণবিধির ধারা-৭(ক) অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো প্রকার পোস্টারই ব্যবহার করা যাবে না। একই ধারার অন্যান্য উপধারায় পচনশীল দ্রব্য দিয়ে বানানো লিফলেট, ব্যানার ও হ্যান্ডবিল ব্যবহারের বিধান রয়েছে। ৭(চ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী রাজনৈতিক দল মনোনীত হলে তিনি কেবল তার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন। এই ছবি পোর্ট্রেট আকারে হতে হবে এবং তা কোনো অনুষ্ঠান ও জনসভায় নেতৃত্বদান বা প্রার্থনারত অবস্থায় বা ভঙ্গিমায় ছাপানো যবে না।

এ ব্যপারে বিএনপির প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মিডিয়া টিমে কর্মরত ফয়সাল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের কাছে পোস্টারের বিষয়টি এড়িয়ে যান। ফেস্টুন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধির ৭(ঙ) ধারায় দেখেন, ওখানে ফেস্টুন অনধিক ১৮ ইঞ্চি * ২৪ ইঞ্চির বিধান রয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যেটা ছবি দেখছেন সেটা কাপড়ের ফেস্টুন ওই সাইজের। আপনি চাইলে সরেজমিনে এসে দেখে যেতে পারেন। আচরণবিধি লঙ্ঘন হয় এমন কোন কিছু করা সম্পূর্ণ নিষেধ করেছেন আমাদের প্রার্থী।’

ঢাকা-১১ আসনের ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সহকারী সচিব নীলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী জানান, প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে এক এলাকার পোস্টার নামালে অন্যদিকে টানানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।