দোষারোপ করতে না চেয়েও এক অপরকে ‘খোঁচা’ দিয়ে প্রচারণা শুরু বিএনপি-জামায়াতের
সরাসরি না হলেও অনেকটা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও খোঁচা মারার মধ্য দিয়েই শুরু হলো জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রচারণা।
মধ্যপ্রাচ্যসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এনআইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর নিয়ে নারীদের ‘একটি দল বিভিন্ন ভাবে বিভ্রান্ত করছে’ বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
কোনো দলের নাম উল্লেখ না করলেও তারেক রহমানের সমালোচনায় ইঙ্গিত রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি গত ১৫ বছর ১৬ বছর জনগণের ভোট ডাকাতি হয়েছে, এখন এই দেশে বর্তমানে আরেকটি রাজনৈতিক দল তারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে,’।
এছাড়াও তিনি বলেন ‘নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে, টিকিট দেব বলছে। যেটার মালিক মানুষ না, সেটার (দেওয়ার) কথা যদি সে বলে, তাহলে এক তো শিরক হচ্ছে, সবকিছুর ওপরে আল্লাহর অধিকার। তারা আগেই তো আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পরে তাহলে কেমন ঠকান ঠকাবে বোঝেন এবার’।
যদিও তিনদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেছিলেন দোষারোপের রাজনীতি নয়, মানুষকে ভালো রাখার রাজনীতি করতে হবে। ‘দোষারোপের রাজনীতি করলে মানুষের পেট ভরবে না,’ ভার্চুয়ালি একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেছিলেন তিনি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান আজকের সমাবেশে ‘আমি কারো সমালোচনা করতে চাই না’ বললেও অনেকটা ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
দলটির জনসভায় তিনি বলেন ‘ফ্যাসিবাদ এখন যদি নতুন কোনো জামা পরে সামনে আসে, পাঁচ আগস্ট যে পরিণতি হয়েছিল, সেই নতুন জামা পরা ফ্যাসিবাদের একই পরিণতি হবে’।
বিগত তিনটি নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি সমাবেশে বলেন ‘আপনারা কি নতুন কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চান? আমরা নতুন কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না।’
এছাড়া তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দখল বাণিজ্য, মামলাবাজি, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, পাথর মেরে লোক হত্যা, গাড়ি চাপা দিয়ে লোক হত্যা, এগুলো থেকে যারা নিজের কর্মীকে বিরত রাখতে পারবে, আশা করি আগামীর বাংলাদেশ তারা জনগণকে উপহার দিতে পারবে’।
তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।