আমি ভাবতাম আওয়ামী লীগ, কিন্তু উনি বিসিএস ক্যাডারের চিকিৎসক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতুকে নিয়ে ৩৯তম বিসিএস ক্যাডারের (চিকিৎসক) এক কর্মকর্তা আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। এ অভিযোগ তুলে এই নেত্রী বলেছেন, আমি ভাবতাম (অভিযুক্ত) আওয়ামী লীগ করেন, কিন্তু উনি একজন চিকিৎসক। অভিযুক্ত আরশাদ মিঞা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও তার জুনিয়র বলে জানিয়েছেন ডা. মিতু। তাছাড়া অভিযুক্ত বিএনপির রাজনীতি করে বলেও তিনি দাবি করেন। আজ শনিবার (১৯ জুলাই) ফেসবুকের এক পোস্টে এ অভিযোগ করেছেন ডা. মাহমুদা মিতু।
পোস্টে ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, আমাকে আজ (গালি) বলেছেন আমার কলিগ ডাক্তার। আমি ভাবতাম এই লোক আওয়ামী লীগ। কিন্তু উনি ডাক্তার। বহুদিন ধরে বাজে ফেসবুকে কমেন্ট করতো। কিন্তু প্রোফাইল লক ছিল।
তিনি আরও লেখেন, উনি আমার জুনিয়র ও বিএনপি করে। উনি ৩৯তম বিসিএস ক্যাডার। শের-ই-বাংলা মেডিকেলের ছাত্র বয়সে আমার জুনিয়র। যেদিন ডাক্তারি পাশ করি আমার সব চেয়ে রগচটা প্রফেসর স্যার আমাকে বলেছেন, আজ থেকে তোমরা আমার কলিগ। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে আমাকে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে বিএনপি সমর্থিত আমার কলিগরা।
‘‘তবে এটাও সত্য আমি যখন বিএনপি সমর্থিত আমার সিনিয়র ডাক্তারদের এটা জানাই উনারা বলেছেন নারীর প্রতি সহিংসতায় কোনো ড্যাবের ডাক্তার অংশ নেবে এটা উনারা মানবেন না। অনেকদিন ভেবেছি আইনের আশ্রয় নিবো স্যাররাও বলেছেন উনারা সাপোর্ট দিবেন তাতে বিএনপি করুক আর যাই করুক। তাই চুপ ছিলাম কিন্তু আমার ডাক্তার কলিগদের ৪/৫ জন দিন দিন আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দিচ্ছে।’’
তিনি আরও লেখেন, আমি শাকিল স্যার ,তারিক স্যার ,জাহিদ স্যার, প্রভাস স্যার বিএনপি সমর্থিত অনেক সিনিয়রদের সাথে কথা বলেছি। উনাদের সাথে কিছু মিটিংয়ে আমার বারবার দেখা হয়, তখন অত্যন্ত বন্ধুসুলভ আচরণ করেন। কতটা স্নেহ করেন সেটা বলে বোঝাতে পারবো না। বহুবার এক টেবিলে খেয়েছিও।
‘‘কিন্তু এই হচ্ছে কর্মী লেভেলের ডাক্তারদের অবস্থা। একজন ডাক্তার ও বিসিএস ক্যাডার। আমি উনার লক প্রোফাইলের স্ক্রিনশটও রেখেছি। খুঁজে প্রমাণ দিবো যে একজন শিক্ষিত লোক কত নোংরামি করতে পারে। আমি উনাকে কোনোদিন কিছু বলিনি।”