শহীদ ডা. মিলন দিবস আজ

দিবস
ডা. মিলনের ৩০তম শাহাদাত বার্ষিকী  © ফাইল ফটো

শহীদ ডা. মিলনের ৩০তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ। ১৯৯০ সালের এই দিনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) গুলিতে নিহত হন তিনি।

শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের রক্তদানের মাধ্যমে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলন সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে দুর্বার আন্দোলনে রূপ নেয়। এ আন্দোলন অচিরেই পরিণত হয় গণঅভ্যুত্থানে। ফলশ্রুতিতে এক ঐতিহাসিক ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ওই বছরের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসক এরশাদের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৭ সালে ২১ আগস্ট ঢাকা হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি সরকারী বিজ্ঞান কলেজ থেকে শিল্পকলা (ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্টস) বিভাগে ২য় স্থান অধিকার করে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭৫ সালে এইচএসসি পাশ করেন নটরডেম কলেজের কলেজ থেকে। এর পর চিকিৎসক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন (ব্যাচ কে-৩৪)। ১৯৮৩ সালে তিনি এমবিবিএস ডিগ্রী লাভ করেন ও ডাক্তারী পেশায় যোগ দেন।

ড. মিলন চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ এবং ঢাকা কলেজের বায়োকেমিস্ট বিভাগের প্রভাষক ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ ডা. মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তারা।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী দল ও সংগঠনসহ শহীদের পরিবারের পক্ষ থেকে কালো ব্যাজ ধারণ, শোক র‍্যালি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ডা. মিলনের কবর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ে শহীদ ডা. মিলন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, পবিত্র ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।।


মন্তব্য

x