‘৪০০ জনের’ ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী, অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছে পুলিশও

করোনা
ধর্ষণ  © প্রতীকি ছবি

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বিড় জেলায় ১৬ বছরের এক কিশোরীকে ৪০০ জন ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় কমপক্ষে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারতের শিশু কল্যাণ কমিটির বরাত দিয়ে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

একটি বিবৃতিতে ভারতের শিশু কল্যাণ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন পুলিশ সদস্যের নামও রয়েছে। 

ভারতে নারী অধিকার কর্মী যোগিতা ভায়ানা বলেন, এটি ভারতের ধর্ষণের ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দুঃখজনক। প্রত্যেকদিন মেয়েটিকে নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার বিচার চাই। 

ভারতের শিশু কল্যাণ কমিটির চেয়ারম্যান অভয় বিঠলরাও বনভে বলেন, আম্বাজোগাই বাসস্ট্যান্ডে ভিক্ষাবৃত্তি করত মেয়েটি। সেখানেই তার ওপর যৌন নির্যাতনের এই ঘটনা ঘটে। যদিও অভিযুক্ত ধর্ষকের সংখ্যা প্রমাণ করা কঠিন হবে। তবে মেয়েটি অন্তত ২৫ জন অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে পেরেছে। 

গত বৃহস্পতিবার ভারতের শিশু কল্যাণ কমিটি অভিযোগ করে যে ভুক্তভোগী কিশোরী এক সময় মারধরের শিকার হয়ে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য গেলে তা নেয়নি পুলিশ। এ নিয়ে বিড় থানার পুলিশের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। 

গত সোমবার একটি বিবৃতিতে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নয়। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে ১৩ বছর বয়সে ৩৩ বছর বয়সী এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। সেখানেও তিনি নির্যাতনের শিকার হন। এ ছাড়া নিজের বাবাও যৌন নির্যাতন করত বলে কিশোরীটি বাড়ি ছেড়ে বাসস্ট্যান্ডে এসে আশ্রয় নেয়। সেখানেই তার ওপর টানা ছয় মাস যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। 

 


মন্তব্য

x