কবে থেকে শুরু হয়েছিল ফ্রেন্ডশিপ ডে?

কবে থেকে শুরু হয়েছিল ফ্রেন্ডশিপ ডে?
  © প্রতীকী ছবি

বন্ধুত্ব হল জীবনের অন্যতম মূল্যবান জিনিস। আর এই সুন্দর সম্পর্কের গুরুত্ব বোঝাতে প্রতিবছর আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার ফ্রেন্ডশিপ ডে বা বন্ধুত্ব দিবস পালিত হয়। এবছর আগস্ট মাসের ১ তারিখ রবিবার পড়েছে। ফলে এদিনই সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে ফ্রেন্ডশিপ ডে। 

আমাদের জীবনে ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা যে ভূমিকা পালন করে থাকে এবং তারা কীভাবে মানুষ হিসেবে আমাদের তুলে ধরে তা উদযাপন করার দিনই হল ফ্রেন্ডশিপ ডে। 

১৯৫৮ সালে প্যারাগুয়েতে এই দিনটিকে প্রথম পালন করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে ১৯৩০ সাল থেকে জয়েস হলের তৈরি হলমার্ক কার্ড থেকে এই দিনটি উদযাপিত হয়ে আসছে বলে জানা গেছে।

পরবর্তীতে সংযুক্ত রাষ্ট্রপুঞ্জ ৩০ জুলাই দিনটিকে আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডশিপ ডে হিসেবে ঘোষণা করে। তবে এখন এই দিনটি উদযাপিত হয় আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার। 

১৯৯৮ সালে উইনি দ্য পুহকে রাষ্ট্রপুঞ্জে নিযুক্ত বন্ধুত্বের বিশ্বদূত হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন প্রাক্তন মহাসচিব কফি আন্নানের স্ত্রী নানে আন্নান। ২০১১ সালে রাষ্ট্পুঞ্জের ৬৫তম অধিবেশনে ৩০ জুলাই দিনটিকে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল।

জানা যায়, ১৯৩৫ সালে আমেরিকার সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। তার প্রতিবাদে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক বন্ধু আত্মহত্যা করেন। এরপরই জীবনের নানা ক্ষেত্রে বন্ধুদের অবদান আর তাদের প্রতি সম্মান জানানোর লক্ষ্যেই আমেরিকান কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রবিবারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেন। এরপর থেকে সারা বিশ্বে আগস্টের প্রথম রবিবারেই বিশ্ব বন্ধু দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

একে অপরের কব্জিতে ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড বেঁধে সাধারণত বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করা হয়ে থাকে। একে অপরের বেস্ট ফ্রেন্ড ফরেভার থাকার প্রতিশ্রুতি হিসাবে বিবেচনা করা হয় এই ব্যান্ডকে।

এইদিনে বন্ধুরা একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করে এবং ভাল সময় কাটানোর জন্য বাইরে যায়। এমনকি তারা একে অপরকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠায় এবং উপহার এবং ফুল বিনিময় করে। তবে, করোনাভাইরাস অতিমারীর কারণে, সামাজিক দূরত্ব মানা সহ অন্যান্য বিধিনিষেধগুলি এই সময়ে অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই ফ্রেন্ডশিপ ডে ভীষণভাবেই উদযাপিত হয়। এক্ষেত্রে সোশ্যাল সাইটগুলো ভীষণই সক্রিয়। বন্ধুরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানায় বা একে অপরের সম্পর্কে আন্তরিক পোস্ট বা গল্প শেয়ার করে। কিছু লোক তাদের বাবা-মা বা জীবনসঙ্গীর সঙ্গেও এই দিনটি উদযাপন করে।

তাই এই ফ্রেন্ডশিপ ডে-র দিন, নিশ্চিত করুন যে আপনি আপনার সকল ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান যাতে তাদের মনে হয় যে তারা স্পেশাল। 


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ