এক রাতে ৭০০ ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পেলেন সামিরা

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:৩৩ AM

© সংগৃহীত

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ। দ্রুতই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেও তার আবেদন এখনো ফুরায়নি। দর্শক হৃদয়ে স্থায়ী আসন গেড়েছেন তিনি। জনপ্রিয় এ নায়কের মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি তার ভক্তরা।

তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন নাকি খুন করা হয়েছিলেন তা জানতে আকুল ছিলেন ভক্তরা। চার দফা তদন্তেও জবাব মেলেনি। অবশেষে তদন্তভার দেয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। মৃত্যুর ২৪ বছর পর গত সোমবার সালমান শাহর মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে পিবিআই।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সালমান শাহকে হত্যা করা হয়নি। তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। প্রতিবেদন প্রকাশের পর জাতীয় একটি দৈনিকে সাক্ষাৎকারে দিয়েছেন সালমানের স্ত্রী সামিরা। তিনি জানিয়েছেন, এক রাতেই ফেসবুকে সাত শতাধিক বন্ধু হওয়ার অনুরোধ পেয়েছেন।

সালমান আত্মহত্যা করেছেন প্রতিবেদনে এমন তথ্য আসায় নির্ভার লাগছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকে আমি একই কথা বলে আসছি। আমি নির্দোষ। পিবিআই বলার পর হয়তো অনেকে বিশ্বাস করেছে। নইলে কি আর সাতশর বেশি বন্ধুত্বের অনুরোধ পেতাম?

সালমান শাহর মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার প্রতিবেদন গ্রহণ করেনি তার পরিবার। সালমান শাহ অপমৃত্যু নাকি হত্যার শিকার তা নিশ্চিত হতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি হয়। সেটাও প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর র‌্যাব এবং সর্বশেষ তদন্ত সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান নায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। সে সময় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি।

দেশের ২ হাজার ৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই, বেশি কোন বি…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সভা ছাড়াই সেমিনার আয়োজন জাকসুর, অভিযোগ ভিপি জিতুর
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
তেলের জন্য অপেক্ষমাণ বাইকারদের পানি-স্যালাইন দিল ছাত্রদল
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ভোজ্যতেল মজুতদারির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ পাঁচ দাবি ক্যাব…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
গ্রামীণ সড়কে ছয় হাজার গাছের মধ্যে টিকে আছে আড়াই হাজার
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
কোন কোন শর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান?
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
close