২৬ জানুয়ারি ২০২৫, ১৪:৫৬

চুপিসারে বিদায় নিলেন ডোনাল্ড লু

ডোনাল্ড লু

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর মেয়াদ শেষ হয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে দায়িত্বে ছিলেন। বাইডেনের আমলে দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের এই কূটনীতিক।

দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই পদ  থেকে তিনি চুপিসারেই বিদায় নিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বেশ নিঃশব্দেই দেশটির দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর প্রস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথের তিনদিন আগে গত ১৭ জানুয়ারি সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদ সম্পন্ন হয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণাটিতে স্পষ্ট করা হয়েছে-ডেনাল্ড লু তার পদের মেয়াদ শেষ করেছেন এবং তাকে বরখাস্ত করা হয়নি। পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পোস্ট করা একটি সংক্ষিপ্ত ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘ডোনাল্ড লুর মেয়াদ ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি শেষ হয়েছে।’

সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালনের সময় ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় এই কূটনীতিক দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনীতিতে বেশ আলোচিত নাম হয়ে উঠেছিলেন। ২০২২ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ডোনাল্ড লুর নামই উঠে এসেছিল।

২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ডোনাল্ড লু পাকিস্তানের সাথে মার্কিন সম্পর্ক তত্ত্বাবধানকারী ব্যুরোর নেতৃত্বে ছিলেন। এছাড়া তৎকালীন পিটিআই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পেছনে মার্কিন এই সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করেছিলেন খোদ ইমরান খান।

মূলত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক ডোনাল্ড লু দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিকদের মধ্যে নিজের কূটনৈতিক কর্মপদ্ধতির জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন লু।