১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১২

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ যুগান্তকারী উদ্যোগ

আমিনুল হক   © সংগ্রহীত

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একাধিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমিনুল হক। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা বাধ্যতা করাসহ মোট ৯টি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মূলত নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনাতেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কোন প্রতিষ্ঠান কোনটা বাস্তবায়ন করবে, বিজ্ঞপ্তিতে সেই প্রসঙ্গেও বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর প্রথম ও প্রধান যুগান্তকারী উদ্যোগ হলো খেলাধুলাকে আধুনিক পেশা হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য খেলোয়াড়দের একটি সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনা ক্রীড়াঙ্গনের নতুন অভিভাবকের।

অন্যদিকে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে ১২-১৪ বছরের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তি প্রদান করা হবে। এই তিনটি লক্ষ্য বাস্তবায়নে ক্রীড়া-১ ও ২ অনুবিভাগ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) ওপর বিশেষ নজর দেবেন আমিনুল হক। 

ক্রীড়াঙ্গনের অবকাঠামোগত উন্নয়নেও বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন আমিনুল হক। এজন্য ৬৪টি জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনাসহ উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ, মহানগরসহ গ্রামীণ জনপদে খেলার মাঠ স্থাপন/উন্নয়নের ব্যবস্থা নেওয়া, দেশেই ক্রীড়া সরঞ্জাম ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট সংস্থাকে খেলাধুলোয় স্পন্সরশিপের জন্য সম্পৃক্তকরণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। বিকেএসপি, ক্রীড়া পরিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।