পুরুষ কি পরল কেউ ভাবে না, নারীদের নিয়ে এত ভাবনা কেন?

ঢাবি
কামরুল হাসান মামুন   © সংগৃহীত

'দৃষ্টিকটু কাকে বলে আর সুন্দরই বা কাকে বলে? এই সুন্দর অসুন্দর ফারাক মানুষের সৃষ্টি। মানুষের সৃষ্টি বলেই একেক দেশে একেক সমাজে এর সংজ্ঞা একেক রকম। অনেক indigenous বা আদিবাসী সমাজে পরিবারগুলো নারীকেন্দ্রিক অর্থাৎ মাকে কেন্দ্র করে পরিবার। অনেক আদিবাসী সমাজে নারীরা টপলেস অর্থাৎ কোমরের উপর কোন কাপড়ই থাকে না। তাতে কি সেই সমাজে ধর্ষণ, ইভ টিজিং ইত্যাদি বেশি? মোটেও না। বরং আমাদের সমাজ থেকে অনেক বেশি সভ্য। এই থেকে বলা যায় ইনস্টিংক্টলি বা naturally নারীরাই পরিবারের কেন্দ্রে। নারীকে ঘিরেই পরিবার তৈরী হয়। পরিবারের প্রতি নারীদের কমিটমেন্টই বেশি। আর যেই সমাজে নারীরা যত বেশি সম্মানিত সেই সমাজ তত বেশি সভ্য। 

আরও পড়ুনঃ চা শ্রমিক মায়ের মজুরি ১২০ টাকা, ঢাবি ছাত্র ছেলের খরচ চলে কীভাবে?

ইউরোপে নারীরা যা ইচ্ছে যেমন ইচ্ছে ড্রেস পড়তে পারে। তাতে কি সমাজে ধর্ষণ ইভ টিজিং বেশি? মোটেও না। কে কি পড়ল কেউ ফিরেও ততাকায় না। ঠিক আমাদের দেশে পুরুষরা কি পরল কেউ bother করে না। নারীরা কি পরল তা পুরুষদের এত চুলকায় কেন? নিজের চর্কায় তেল দিতে পারে না। একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি কি ড্রেস দৃষ্টিকটু সেই সংজ্ঞা দিয়ে দেয় এবং একই সাথে বয়োজ্যেষ্ঠদের পুলিসিং করার লাইসেন্স দিয়ে দেয় এইটার ফলাফল আঁচ করতে পারছেন? যেই ড্রেস বিশ্বের অধিকাংশ সভ্য দেশে অত্যন্ত সুন্দর ড্রেস হিসাবে গণ্য করা হয় সেই ড্রেসকে দৃষ্টিকটু বলে দিল? দেশটা যাচ্ছে কোন দিকে? দৃষ্টিকটু তারাই বলে যাদের দৃষ্টিটাই কটু, যাদের অন্তর্দৃষ্টি বলে কিছু জন্মায় নাই।'

(ফেসবুক হতে সংগৃহীত)


x

সর্বশেষ সংবাদ