চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা বললেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান

চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি
এনামুল কাদের খান ও এনটিআরসিএ লোগো  © ফাইল ফটো

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে৷ এ লক্ষ্যে কাজও শুরু করা হয়েছে। তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের চূড়ান্ত নিয়োগ শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করা হবে। এর পর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির প্রকাশ করা হবে।

শনিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেন, এই মুহূর্তে আমরা তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির কাজ করছি। পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে প্রার্থীদের চূড়ান্ত নিয়োগের সুপারিশপত্র দেয়া হবে। এরপর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির কাজ শুরু করা হবে। নির্দিষ্ট করে কোন মাসে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে সে বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।

এর আগে শনিবার সকালে বেশ কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে অর্ধলাখ শিক্ষক নিয়োগে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে খবর প্রচারিত হয়। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো প্রার্থী আবেদন করেননি। এছাড়া ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫ হাজার ৩৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এর বাইরে শূন্যপদের কোনো তথ্য জানা নেই। তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির চূড়ান্ত সুপারিশ শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের তথ্য চাওয়া হবে। এর পর বলতে পারবো কত পদের বিপরীতে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এদিকে এনটিআরসিএর একাধিক সূত্র দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানিয়েছেন, বিভিন্ন মাধ্যমে যে ৩৫ হাজার শূন্যপদের তথ্য দেয়া হয়েছে সেটি অনেক আগে সংগ্রহ করা শূন্যপদের চাহিদা। এনটিআরসিএর সাবেক চেয়ারম্যান আকরাম হোসেনের সময় এই শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে থাকে এনটিআরসিএ। প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত তিনটি গণবিজ্ঞপ্তির কাজ শেষ করেছে। যদিও তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের চূড়ান্ত সুপারিশ এখনো বাকি।

এর আগে গত ১৫ জুলাই তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি থেকে ৩৪ হাজার ৬১০ জনকে এমপিওভুক্ত ও ৩ হাজার  ৬৭৬ জনকে নন এমপিও প্রতিষ্ঠানে সুপারিশ করে এনটিআরসিএ।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ