২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫০

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের সিলেবাস নিয়ে সভায় এনটিআরসিএ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ  © সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার এবং সহকারী সুপার নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস প্রণয়ন নিয়ে সভায় বসেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এনটিআরসিএর সম্মেলন কক্ষে এ-সংক্রান্ত সভা শুরু হয়।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।

এদিকে চলতি সপ্তাহে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানিয়েছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘আশা করছি আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারব। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ করা হয়েছে। এখন শুধু মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষা।’

প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের খসড়া পরিপত্রে যা আছে
প্রযোজ্যতা: বেসরকারি (এমপিওভুক্ত) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে অনুসরণীয় এ পদ্ধতি কেবল প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট) নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

শূন্য পদের চাহিদা প্রেরণ: সর্বশেষ জারিকৃত `বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা' অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা সহকারী প্রধান এর নিয়োগ সুপারিশের জন্য সংশ্লিষ্ট ৩ (তিন) অধিদপ্তর (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর) ৩১ ডিসেম্বর এর মধ্যে ন্যূনতম ১ (এক) বার অথবা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে শূন্য পদের চাহিদা এনটিআরসিএ এর নিকট প্রেরণ করবেন। 

প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ সুপারিশের জন্য পরীক্ষা গ্রহণ: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান-এর নিয়োগ সুপারিশের জন্য যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ প্রাপ্ত শূন্যপদের চাহিদা বিবেচনা করে পরীক্ষা গ্রহণ করবে।

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের পূর্বে পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান সম্পর্কিত বিস্তারিত সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সংবলিত বিজ্ঞপ্তি কমপক্ষে বহুল প্রচারিত একটি বাংলা জাতীয় দৈনিক ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে ।

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। লিখিত/বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ ১২ নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর নির্ধারিত হবে । লিখিত/বাছাই পরীক্ষার বিষয়বস্তু কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে। লিখিত/বাছাই ও মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর হইবে ন্যূনতম ৫০% । পদভিত্তিক শূন্যপদের ৩ গুন প্রার্থীর সমন্বয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য হতে লিখিত/বাছাই, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রমানুসারে শূন্য পদের সমানসংখ্যক পদভিত্তিক একটি তালিকা প্রণয়ন করা হবে। সকল পরীক্ষায় কৃতকার্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হবে ।