নারী চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মামলা

চিকিৎসকের আত্মহত্যা
আত্মহত্যা

খুলনা মহানগরীতে মন্দিরা মজুমদার নামে এক নারী চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার মজিদ সরণি রোডের বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মন্দিরা মজুমদার ওই এলাকার প্রদীপ মজুমদারের মেয়ে। তিনি ২০২১ সালে খুলনা গাজী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

মন্দিরা মজুমদারের পরিবারের দাবি, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেখানে তিনি প্রতারণার শিকার হন। এটা নিয়েই আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার রাতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুহাস রঞ্জন হালদার ও তার বোন সিঁথি মনি হালদারকে আসামি করা হয়েছে।

মন্দিরার বাবা প্রদীপ মজুমদার বলেন, ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার পিত্তথলির অপারেশন করা হয়। তখন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুহাস রঞ্জন হালদারের সঙ্গে আমার মেয়ের পরিচয় হয়। এই সম্পর্কের জেরে ডা. সুহাস আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে রাতযাপন করে।পরবর্তীতে আমার মেয়ে জানতে পারে যে ডা. সুহাস বিবাহিত। আমার মেয়ে তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে জীবননাশের হুমকি দিয়ে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। মেয়েটি যন্ত্রণা সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

আরও পড়ুন- নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয় বড় ভাইরা

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামতাজুল হক বলেন, ওই নারীর মরদেহ নিজ ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ওই নারীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।