শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেয়ার পর খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতীকী

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা গেলেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ। আজ ররিবার রাতে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান তিনি।

অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেয়ার একটি পরিকল্পনা করেছে সরকার। এখন তো ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা টিকা নিচ্ছেন। এর পরের ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে যে শিক্ষার্থীরা থাকেন, তাদেরও টিকা দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ভ্যাকসিন দেয়া সম্পন্ন হলেই বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হতে পারে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিশেষ বিবেচনায় টিকা দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ এই শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া শুরু হতে পারে সে সম্পর্কে তিনি ধারণা দিতে পারেননি।

এদিকে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল খোলার দাবিতে আন্দোলন করছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, করোনায় সবকিছু চললেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলেও হল বন্ধ থাকায় আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।

অধ্যাপক চন্দ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয়ভাবে নেয়া হবে, অর্থাৎ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আলোচনার পরই খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ২৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে এ বিষয়ে একটি বৈঠক করতে যাচ্ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে একই কথা জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদও। তিনি বলেছেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনা ভ্যাকসিন দেয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা হল কোনটিই আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হবে না। ভ্যাকসিন নিশ্চিত করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।