নীলক্ষেতে আগুন

ধার করে আনা বই দিয়ে ব্যবসা চালুর চেষ্টা

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বইয়ের মার্কেট
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বইয়ের মার্কেট  © সংগৃহীত

নীলক্ষেতের বই ব্যবসায়ীরা ধার করা বই দিয়ে পুনরায় ব্যবসা চালু করার চেষ্টা করছেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি আগুন লেগে ২৭টি দোকান পুড়ে গেছে। নিঃস্ব হয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। গতকাল থেকে দোকান চালু করেছেন তারা। তবে ফায়ার সার্ভিস বলছে, আগুন লাগার সম্ভাবনা এখনো রয়েছে।

জানা গেছে, নীলক্ষেতের প্রায় ১৬ একর জায়গায় ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ। এখানে বাজারের সংখ্যা সাত। সম্প্রতি আদর্শ বিতান নামের একটি বাজার ভেঙে সরকারি স্থাপনা গড়ে তোলা হয়। এর বাইরে রয়েছে গাউছুল আজম সুপার মার্কেট, ইসলামিয়া বণিক বহুমুখী সমবায় সমিতি, বাকুশা হকার্স মার্কেট, বাবুপুরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, হযরত শাহজালাল বহুমুখী সমবায় সমিতি, জিলানী সুপার মার্কেট ও বাণিজ্য বিতান।

ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, নতুন করে আবার শুরু করতে হচ্ছে সবকিছু। আগুনে পুরো দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পুঁজি হারিয়েছেন। এখন আশেপাশের দোকান থেকে বই সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, আশেপাশের দোকান থেকে বই নিয়ে আসেন। যে বইগুলো বিক্রি হবে না, সেগুলো মূল মালিকদের কাছে রাতেই ফিরিয়ে দেবেন এই শর্তে কিছু বই পেয়েছেন।

আরও পড়ুন- বিতর্কের মুখেই চবিতে নিয়োগ পেলেন ২৪ শিক্ষক

নতুন করে শুরু করলেও এখনো আগুন লাগার ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। তারা বলছেন, দুই কারণে এই ঝুঁকি রয়েছে। প্রথমত, কাগজ সহজ দাহ্য পদার্থ। এখানে অপরিকল্পিতভাবে বই স্তূপ করে রাখা হয়। দ্বিতীয়ত, বইয়ের বাজারের ভেতর ইচ্ছেমতো বিদ্যুতের সংযোগ নেওয়া হয়েছে। ঘিঞ্জি এ জায়গায় দীর্ঘ সময় বাল্ব জ্বালিয়ে রাখা হয়। এ থেকে উত্তাপে আগুন ধরে যেতে পারে।


সর্বশেষ সংবাদ