স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪৪ AM , আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪৪ AM
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল-কলেজ খুলতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। ক্লাস রুমের বাইরে টাঙানো হচ্ছে। ওয়াশরুমে নতুন করে হাত ধোয়ার বেসিন বসানো হচ্ছে।
রাজধানী এবং এর বাইরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব স্কুলেই সচেতনতামূলক ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে। লেখা আছে ‘নো মাস্ক, নো স্কুল’। অনেক স্কুল আবার নিজ উদ্যোগেই মাস্ক কিনছেন। যেন কোনো শিক্ষার্থী মাস্ক পড়ে না আসলে তাদের মাস্ক দেওয়া যায়। এছাড়া ক্লা রুটিন করা নিয়েও ব্যবস্ত সময় পার করতে দেখে গেছে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের দিন নির্দেশনা অনুযায়ীই রুটিন তৈরি করছেন তারা।
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১-২২ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস প্রতিদিন হবে। আর চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস শনিবার, প্রথম শ্রেণিতে রোববার, দ্বিতীয় শ্রেণিতে সোমবার, তৃতীয় শ্রেণিতে মঙ্গলবার, অষ্টম শ্রেণিতে বুধবার এবং নবম শ্রেণির ক্লাস হবে বৃহস্পতিবার। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা এভাবেই রুটিন তৈরি করছেন। গত বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) রুটিন তৈরিসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস নিতে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে।
১১ দফা নির্দেশনা
১. ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষা প্রাতষ্ঠানে আসবে;
২. প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একদিন প্রতিষ্ঠানে আসবে;
৩. সপ্তায় প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণিতে দুটি করে ক্লাস ধরে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রুটিন তৈরি করবে;
৪. রুটিনের সঙ্গে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাস নির্ধারণ করা যেতে পারে;
৫. যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান ওইসব স্তরের জন্য নির্ধারিত ক্লাসগুলো সমন্বয় করে রুটিন করবে;
৬. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চলমান ডিগ্রি, সম্মান ও মাস্টার্স পরীক্ষার সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে ২০২১ ও ২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য রুটিন প্রণয়ন করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করবে;
৭. রুটিন প্রণয়নের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ, প্রস্থান ও অবস্থানের সময় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনা না ঘটে;
৮. রুটিন এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়;
৯. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আপাতত এসেম্বলি বন্ধ থাকবে;
১০. প্রতিদিন নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে হবে;
১১. পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ক্লাস রুটিন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করতে হবে