২২ জুন ২০২১, ০০:০৩

লকডাউনে বন্ধ বাস-লঞ্চ, চলবে ট্রেন-প্লেন

লকডাউনে বন্ধ বাস-লঞ্চ, চলবে ট্রেন-প্লেন  © সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় মঙ্গলবার (২২ জুন) থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এই সময় জেলাগুলোর মধ্যে বাস, লঞ্চ, স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া রেল এবং বিমান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লুটিএ) যুগ্ম পরিচালক (পোর্ট ও ট্রাফিক) মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, দেশের ৭ জেলায় লকডাউনের কারণে আগামীকাল মঙ্গলবার (২২ জুন) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

বিমান চলাচলে কোন নির্দেশনা না দেওয়ায় পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটির চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এছাড়া রেল চললেও উল্লেখিত সাত জেলার অন্তর্গত কোনো জায়গায় এটি থামবে না।

রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনের গন্তব্যে যেতে যদি কোন লকডাউন এলাকা পড়ে সেখানে ট্রেন থামবে না, যাত্রীও উঠানো এবং নামাবে হবে না। লকডাউন এলাকা ক্রস করে ট্রেন গন্তব্যে যাবে। জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ি, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ।

এর আগে, সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে এ বিধিনিষেধের আওতায় থাকবে।

আদেশে বলা হয়েছে, বিধিনিষেধের সময়ে এই সাত জেলায় সার্বিক কার্যাবলি/চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) বন্ধ থাকবে।

তবে আইন-শৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক/লরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না।