১৫ জুন ২০২১, ০৯:৪০

ব্যাংকে শিক্ষার্থীদের দুই হাজার কোটি টাকা

ব্যাংকে শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ছে  © প্রতীকী ছবি

করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বন্ধ হয়নি শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের মানসিকতা। গত এপ্রিল শেষে ব্যাংকে তাদের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। গত বছরের মার্চের চেয়ে যা প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

গত বছরের মার্চে শিক্ষার্থীদের আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। এ সময় জমা ছিল প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। সোমবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আমানতের সিংহভাগই শহরাঞ্চলে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ায় স্কুল ব্যাংকিংয়ে আমানত ও অ্যাকাউন্ট বাড়ছে। করোনাকালে অনেক প্রতিষ্ঠানকে টিউশন ফি দিতে হয়েছে ব্যাংকের মাধ্যমে। এই কারণেও অ্যাকাউন্ট ও আমানত বাড়তে পারে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এই মুখপাত্র।

জানা গেছে, ১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকার মধ্যে শহরাঞ্চলে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। আর গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৪৯৩ কোটি টাকা। শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টও বাড়ছে। গত এপ্রিলে আগের বছরের এপ্রিলের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেড়েছে অ্যাকাউন্ট। এর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫১৩টিতে। ছাত্রদের অ্যাকাউন্ট প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ। আর ছাত্রীদের রয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ।

১৮ বছরের কম শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে স্কুল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। তবে অভিভাবকের ই-টিআইএন নাম্বার থাকলেও ওই একাউন্ট থেকে ১০ শতাংশ এবং ই-টিআইএন নাম্বার না থাকলে ১৫ শতাংশ কর কাটতে পারে। 

জানতে চাইলে সিরাজুল ইসলাম বলেন, উৎসে কর ছাড়ের অনুরোধ করার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে এ উদ্যোগ কার্যকর হলে স্কুল ব্যাংকিংয়ের জনপ্রিয়তা বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।