লকডাউন না হয়ে সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে
এবার সাধারণ ছুটিই কার্যকর হবে বলে মনে করছেন সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। রবিবার (১১ এপ্রিল) উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো সারাংশ আকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সাধারণ ছুটি হলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আর তিনি কঠোর বিধি-নিষেধের বিষয় হলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজকের বৈঠকে হওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সাধারণ ছুটির বিষয়েই বেশির ভাগ মতামত এসেছে। তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে কলকারখানা খোলা রেখে সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব এসেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়ে জোর দাবি জানাচ্ছেন। অর্থনীতির দিক থেকে এটা ফেলে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, সেখানে কলকারখানা খোলা রাখলে শক্ত লকডাউন সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়। তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই আসবে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের চলমান লকডাউনের ধারাবাহিকতায় চলবে আগামী কাল ও পরশু (১২ ও ১৩ এপ্রিল)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে। আর ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হবে।
তবে রবিবার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের পর নির্ধারিত হবে লকডাউন না সাধারণ ছুটি।