মন্ত্রী হওয়ার আশ্বাস পেলেন ১১ দলীয় জোটের আরও এক প্রধান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে এখন পর্যন্ত পাঁচ নেতাকে মন্ত্রী করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভায় পর্যায়ক্রমে এসব ঘোষণার মাধ্যমে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার একটি আংশিক চিত্র সামনে এনেছে দলটি।
সর্বশেষ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আয়োজিত ১১-দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আমির আল্লামা মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা দেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আল্লামা মামুনুল হক বিজয়ী হলে এলাকাবাসী একজন মর্যাদাবান মন্ত্রী পাবেন ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। যেখানে দুর্নীতি ও চাঁদবাজি থাকবে না।’
এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের এক নির্বাচনী জনসমাবেশে জামায়াতের নায়েবে আমির ও ওই আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে মন্ত্রিসভার সিনিয়র সদস্য করার ঘোষণা দেন ডা. শফিকুর রহমান।
পরবর্তীতে ২ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের মহেশখালীতে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় তিনি জানান, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচিত হলে তাকেও সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে। তিনি হামিদুর রহমান আযাদকে ওই অঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ের সাহসী কণ্ঠস্বর হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ ছাড়াও ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত সমাবেশে নাহিদ ইসলাম এবং গত ২৪ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আয়োজিত জনসভায় জামায়াত আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানকে মন্ত্রী করার ঘোষণা দেন।