২২ আগস্ট ২০২৩, ০৮:২৬

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা সংলাপ বুধবার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে বুধবার সংলাপে বসছে বাংলাদেশ  © ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে সংলাপে বসছে বাংলাদেশ। বুধবার (২৩ আগস্ট) ঢাকায় হবে এ সংলাপ। সংলাপে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশ কীভাবে অবদান রাখবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। এতে চূড়ান্ত হতে পারে প্রতিরক্ষা চুক্তি জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (জিসোমিয়া)।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ম প্রতিরক্ষা সংলাপে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) অপারেশন ও পরিকল্পনা অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুসাইন মুহাম্মাদ মাসীহুর রহমান বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভারত–মহাসাগরীয় কমান্ডের কৌশলগত পরিকল্পনা ও নীতি বিষয়ক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল টমাস জে জেমস দেশটির নেতৃত্ব দেবেন।

সংলাপে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, সামরিক বাহিনীর মধ্যকার সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, দুর্যোগ মোকাবিলা, শান্তিরক্ষা ও প্রতিষ্ঠা, প্রশিক্ষণ, সামরিক কর্মকর্তাদের সফর বিনিময়, জঙ্গিবাদ দমনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। চীনের প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নিরাপদ ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠা যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এশিয়া অঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতি ও প্রভাব নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ উপস্থিতি নিশ্চিতে আইপিএসে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার অন্যতম উপাদন। সংলাপে বাংলাদেশের অবস্থানও খোলাসা করা হবে। ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন স্তরে এ সংলাপ চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নবম প্রতিরক্ষা সংলাপে সমরাস্ত্র কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নে সামরিক বাহিনীকে যুগোপযোগী করতে চায় বাংলাদেশ। এতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কাটাতে কাজ করছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকেও অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র কিনতে চায় বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে প্রস্তাবটি বাংলাদেশই দিয়েছিল।

প্রতিরক্ষা চুক্তি ছাড়া অ্যাডভান্সড মিলিটারি হার্ডওয়্যার যুক্তরাষ্ট্র বিক্রি করে না। ফলে দেশটির সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সইয়ের তাগিদ রয়েছে ওয়াশিংটনের। বাংলাদেশও নীতিগতভাবে সম্মত। এরইমধ্যে খসড়া নিয়ে তিন দফা আলোচনা হয়েছে। বুধবার চূড়ান্ত পর্ব হবে বলে জানা গেছে।