১৩ মে ২০২৩, ১৯:৪৮

তাহলে আজ সারা রাত জাগবেন তো!

আজ সারা রাত জাগা দিবস  © ফাইল ছবি

বর্তমান সময়ে রাত জাগা মানুষের সংখ্যা বাড়লেও আদিকাল থেকেই মানুষ রাত জাগতো। রাত্রির এক অদ্ভুত মাদকতা আছে, আছে সম্পূর্ণ ভিন্নতর এক রূপ। রাতের নিস্তব্ধতায় বাক্সবন্দী আবেগগুলো যেমন বাইরে বেরিয়ে আসে, তেমনই প্রকৃতিও খুলে বসে রহস্যের পসরা। তবে আর কী, আজ তাহলে  সারা রাত জাগবেন তো! 

আজ ১৩ মে (শনিবার)। সারা রাত জাগা দিবস। তবে মানুষ তো প্রতিনিয়তই রাত জাগে! তাহলে দিবসটির প্রয়োজন কী ছিল? আমেরিকায় এটি পালিত হয়। সৃষ্টির গোড়া থেকেই তো রাত জাগে মানুষ, কিন্তু আয়োজন করে পালন করে না। রাতের প্যাঁচা যারা, সেসব নিশাচর মানুষের জন্যই আজকের দিনটি। তবে পালন করতে পারেন অন্যরাও।

বিশেষ এই দিবসটি পালন করতে পারেন ছবি দেখে, রাতের ভ্রমণে বের হয়ে, রাতের বেলা চমৎকার খেলাধুলার আয়োজন করে। ব্যতিক্রমী এই দিবসটি পালনের সবচেয়ে সুন্দর উপায় হলো ছবি দেখা। রাতের বেলা আপনি যদি ভৌতিক কোনো ছবি দেখেন তাহলে সময় তো কাটবেই সঙ্গে ভয়ে সারা রাত জাগাও হবে।

তবে কারও কারও আবার রাত জাগাটা অভ্যাস হয়ে যায়। নেহাত শখেও রাত জাগেন কেউ কেউ। কেউ কাজের চাপে, কেউ পড়াশোনার জন্য রাত জাগেন। আবার কারো কোনো কাজ নেই, তাই রাত জেগে হয়তো জ্যোৎস্না দেখেন। কীভাবে অন্ধকার কেটে কেটে ভোরের আলো ঢুকে যায় রাত্রির শরীরে—তাই দেখেন হয়তো।

আরও পড়ুন: সমস্যা যখন চুল পড়া, জেনে নিন করণীয়

ফেসবুক, ইউটিউব, সিনেমা, গান—এসব ঘাঁটাঘাঁটি করেও গোটা রাত কাটিয়ে দেন অনেকে। ইন্টারনেটের মুক্ত কর্মীদের অনেকেই তো রাতভর কাজ করে দিনভর ঘুমান।

এদিকে গবেষণা বলছে, সৃষ্টিশীল মানুষেরা তুলনামূলক রাত জাগেন বেশি। রাত যত গভীর হয়, ততই যেন মাথা খোলে। পৃথিবী ঘুমিয়ে গেলে কবি কবিতার খাতা খুলে বসেন। ক্যানভাসের গায়ে আঁচড়ের পর আঁচড় দিতে থাকেন শিল্পী। সুরকার বেঁধে ফেলেন কালজয়ী কোনো সুর।

অবশ্য ইনসমনিয়ায় ভোগা মানুষদের জন্য রাত মানেই দুঃস্বপ্ন। নিদ্রাহীনতার অসহায়ত্ব নিয়ে বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেন তারা। তাদের কাছে একেকটা রাতকে শতাব্দীর মতো দীর্ঘ মনে হয়।