০৩ আগস্ট ২০১৮, ২১:২০

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মেডিকেল ছাত্রীর আত্মহত্যা

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ। ফাইল ছবি

পারিবারিক বিরোধকে দায়ী করে আত্মহত্যা করলেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ছাত্রী ফাহিমা আক্তার চাঁদনী (২৪)। বৃহস্পতিবার রাতে আত্মহত্যার আগে চাঁদনী নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি উঠে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

চাঁদনী রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) এমবিবিএস ৫৫তম ব্যাচের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামে তার বাড়ি। বাবার নাম রফিকুল ইসলাম।

চাঁদনীর স্বামী সালেহিন রনি একজন চিকিৎসক। তিনি ময়মনসিংহেই থাকেন। তবে পড়াশোনার জন্য চাঁদনী রাজশাহী নগরীর দাসপুকুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে সেই বাড়িতে নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, রাতে চাঁদনীকে তার স্বামী অনেকবার ফোন করেন। কিন্তু ফোনটি রিসিভ না হওয়ায় তিনি বিষয়টি চাঁদনীর বান্ধবীদের অবহিত করেন। বান্ধবীরা তার বাড়িতে গিয়ে দেখেন চাঁদনীর ঘর ভেতর থেকে বন্ধ।

এ সময় অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভাঙেন। তারা চাঁদনীকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে দেখেন। তখন তাকে দ্রুত নামিয়ে রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, আত্মহত্যার আগে চাঁদনী নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।