২২ জুন ২০২২, ১৬:৩৭

মাদ্রাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে: উপাচার্য

ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ ও জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠান  © সংগৃহীত

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভূমি অধিগ্রহণ ও জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ। বুধবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় ‌‘ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন শীর্ষক’ প্রকল্পের আওতায় মোট ১৭.০৮৯৪ একর ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ ও জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ ও ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে ভূমি মালিকদের চেক প্রদানের মধ্য দিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানাধীন ঘাটারচর ও মধ্যেরচর মৌজার জমি হস্তান্তর করা হয়।

আরবি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বলেন, চেক বিতরণ ও জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসার উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ ও বাস্তবায়নে দেশের আলেম-উলামা পীর-মাশায়েখ ও ১৫০০ শত ফাজিল-কামিল, অনার্স-মাস্টার্স মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে।

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, স্থায়ী ক্যাম্পাসের জমি বুঝে পাওয়ার মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষায় নতুন দিগন্তের সূচনা হলো।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী ট্রাস্ট বৃত্তি পাবে আরবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে জমি বুঝিয়ে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষায় আরো বেশি গতি সঞ্চার হবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক রফিক আহমদ সিদ্দিক, রেজিস্ট্রার রেজাউল হক, উপরেজিস্ট্রার ড. মো. আবু হানীফা, উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ড. মো. রফিক আল মামুন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর টিম, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টায় জাতীয় সংসদে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৩ পাস এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের মধ্য দিয়ে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিকীকরণ, ফাজিল (স্নাতক) ও কামিল (স্নাতকোত্তর) পর্যায়ের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন ও পাঠ্যসূচির আধুনিকীকরণ ও উন্নতিসাধন, শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় পরিচালনা করছে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়।