তারাবি না পড়লে রোজা হবে কি?
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে রমজান মাস। এ মাসে প্রত্যেক ইবাদতের সওয়াব কয়েকগুণ। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘রমজান মাসে যে ব্যক্তি একটি নফল আদায় করলো সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায় করল। আর যে এ মাসে একটি ফরজ আদায় করলো সে যেন অন্য মাসের ৭০টি ফরজ আদায় করল। (শুআবুল ঈমান : ৩/৩০৫-৩০৬)।
এ মাসে মুসলমানরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে একাধিক ইবাদত করে থাকেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো তারাবি নামাজ। কেননা তারাবি নামাজের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তারাবি পড়ার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। এক হাদিসে তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও পরকালের আশায় রমজানের রাতে কিয়ামুল লাইল (তারাবি) আদায় করবে, তার অতীতের পাপ মার্জনা করা হবে।' (নাসায়ি, হাদিস : ২২০৫)।
শায়খ আহমাদুল্লাহ তার এক বক্তব্যে বলেছেন, তারাবি নামাজ না পড়লেও রোজা সহীহ হবে। কারণ, রোজা ও তারাবি দুটি ভিন্ন ইবাদত। রোজা ফরজ ইবাদত, যা প্রত্যেক সক্ষম মুসলমানের ওপর বাধ্যতামূলক। পক্ষান্তরে, তারাবি সুন্নতে মুআক্কাদা, যা পড়লে মহান সওয়াব পাওয়া যায়, কিন্তু না পড়লে রোজার উপর কোনো প্রভাব পড়ে না।
তবে তিনি আরও বলেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তারাবি পরিত্যাগ করেন, তারা সুন্নত পরিত্যাগের কারণে বঞ্চিত হবেন। তারাবি পড়লে যেমন সওয়াব বাড়ে, তেমনি না পড়লে সে সুযোগ হাতছাড়া হয়।