০১ অক্টোবর ২০২২, ২০:০৭

এর চেয়ে কম আবেদন ফি নেওয়া সম্ভব নয়: শাবিপ্রবি ভিসি

শিক্ষার্থী ও অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন  © ফাইল ছবি

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা আলাদা ভাবে আবেদন ফি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন ভর্তিচ্ছুরা। তারা বলছেন, প্রথমে একটি আবেদনের মাধ্যমে ভর্তির কথা বলা হলেও এখন প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের কথা বলা হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। অর্থের অভাবে তুলনামূলক কম নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। তাই আবেদন ফি কমানো অথবা এক আবেদনের মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি নিয়ে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস কথা বলেছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিনের সাথে। নিচে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশটুকু তুলে ধরা হলো-

দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস: শুরুতে এক আবেদনের কথা বলা হলেও পৃথক পৃথক আবেদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এর কারণ কী?

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন: আমরা কখনোই বলিনি একটি আবেদন করতে হবে। আমরা শুরু থেকেই প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক পৃথক আবেদনের কথা বলেছি। এক আবেদনের যে কথা বলা হচ্ছে এটি কোথা থেকে আসলো সেটি আমার জানা নেই।

দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস: প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক পৃথক ভাবে আবেদন করতে অনেক টাকার প্রয়োজন হবে। এতে অনেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ বিষয়ে আপনার মনোভাব কী?

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন: আমরা যে আবেদন ফি রেখেছি এটি সর্বনিম্ন। এর চেয়ে কম আবেদন ফি নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ ইউনিটে আবেদন ফি ৫০০ টাকা করেছি। আমরা শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অনলাইনে আবেদনের ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে আবেদন করতে পারবে। এতে তাদের আর্থিক সাশ্রয় হবে।

দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস: পৃথক পৃথক আবেদন নিয়ে গত শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীদের আপত্তি ছিল। তাহলে এবার শিক্ষার্থীদের কষ্ট কতটা লাঘব হলো?

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন: এবার শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্টই লাঘব হয়েছে। তারা নিজ জেলায় পরীক্ষা দিতে পেরেছে। এছাড়া এবার কেবলমাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই চলবে। গতবারের মতো এক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ভর্তি বাতিল করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে না। ৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি নিশ্চিত করতে পারবেন। সামগ্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের অনেক লাভ হয়েছে।

দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস: গত শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিল, এই শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেও কি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ থাকবে?

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন: দেখুন গুচ্ছ অনেক বড় পরীক্ষা। তিন লাখের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। ফলে অভিযোগ থাকবেই। অভিযোগ না থাকলেই বরং সমস্যা। অভিযোগ উঠবে সেগুলো আমরা বসে সমাধানের চেষ্টা করবো।

দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস: আপনার মূল্যবান সময়ের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন: দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকেও ধন্যবাদ।