অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে

মারামারি
অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে  © সংগৃহীত

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ওই কলেজের কয়েক জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে কয়েকজন শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মধ্যে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয় পুলিশ জানিয়েছে, মারধরের পর অধ্যক্ষকে অফিস কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে তারা গিয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হলে শুক্রবার তিনি মামলা করতে পারেন।

কলেজ সূত্র থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে সমাজকর্ম বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল হান্নানসহ কয়েকজন শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষের কক্ষের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন।

পরে ৫-৬ জন শিক্ষক অধ্যক্ষ উমরুল হককে মারধর করে বাইরে থেকে কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হক মারধরের অভিযোগ করলেও কারণ বলেননি। তবে এ ঘটনার বিচার দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল হান্নানের মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তার কক্ষ থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। আহত শিক্ষক দাবি করেছেন, কয়েকজন শিক্ষক তাকে মারধর করেছেন।’

ওসি আরও জানান, ‘এখনও এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। অধ্যক্ষ আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি থাকায় লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। শুক্রবার তিনি অভিযোগ করতে পারেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে মারধরের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষক তাকে মারধর করেন। সম্প্রতি পিবিআই ওই ঘটনার তদন্ত শেষে ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হকও রয়েছেন।


মন্তব্য

x