মাসে ১ কোটি ডোজ তৈরিতে সক্ষম, অনুমোদন পাচ্ছে দেশীয় টিকা
আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিনের নৈতিক অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। এ টিকার অনুদোন পেলে মাসে ১ কোটি ডোজ উৎপাদনে সক্ষম বলে জানিয়েছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি।
আজ রবিবার (২৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ডা. মোদাচ্ছের জানান, এ বিষয়ে আমাদেরকে স্লো গতিতে এগোতে বলা হয়েছিল। তবে দেশের এ অবস্থার মধ্যে আমরা এ স্লোর মানে তো সব বন্ধ করে থাকতে পারি না।
তিনি বলেন, অন্যদিকে আমরা যেহেতু সরকারের আইনের ভেতরে আছি সুতরাং তারা অনুমতি না দিলে আমাদের পক্ষে এগোনোও সম্ভব নয়। তবে আমার ধারণা হচ্ছে, আগমী দু-একদিনের মধ্যে আমরা এ বিষয়ে সম্মতি পাবো।
করোনা ভ্যাকসিনের নৈতিক অনুমোদন পেলে ১০ দিনের মধ্যে ট্রায়াল শুরুর প্রস্তুতি আছে গ্লোবের। আর বাকি ধাপে উত্তীর্ণ হলেই মাসে ১ কোটি ডোজ উৎপাদনে সক্ষম তারা।
গ্লোব বলছে, তারা পেজ ওয়ান এবং টু সিকুয়েন্সিয়ালি যাবে। পেজ ওয়ান-টু সাপেক্ষে সরকার যদি মনে করেন জরুরি অবস্থার ভিত্তিতে সবার জন্য এটি উন্মুক্ত করে দেয়া যায়; সেটিরও কিন্তু সুযোগ আছে। এটার উদাহরণও আছে। এটি ভারত-রাশিয়া-চীনের ক্ষেত্রেও করা হয়েছিল।
গ্লোবের কোয়ালিটি অ্যান্ড রেগুলেটরি অপারেশন্সের ম্যানেজার ও ইনচার্জ এবং টিকা আবিষ্কার গবেষক দলের সদস্য মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, যে প্রযুক্তিতে আমাদের টিকা তৈরি করেছি, মডার্না ও ফাইজারের টিকার প্রযুক্তি প্রায় একই।
তিনি বলেন, এই দুইটা ভ্যাকসিন জরুরি অনুমোদন নিয়ে তাদের দেশের করোনা সংক্রমণ তারা নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে। তারা যে নকশা করেছিল, সেটা করোনার প্রথম দিকে। এগুলোকে বলা যায় প্রথম জেনারেশনের ভ্যাকসিন। আমাদের যে নকশাটা সেটা সেকেন্ড জেনারেশন ভ্যাকসিন। কারণ আমরা এটা গত বছর মার্চ থেকে শুরু করেছি।