২৯ মার্চ ২০২১, ১৩:৫৬

বেশি সংক্রমিত এলাকা লকডাউন হতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক  © ফাইল ফটো

জনসমাগম যেখানে বেশি হয় সেসব স্থান বন্ধ করে দেয়াসহ আংশিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ সোমবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্ধিত অংশ উদ্বোধনকালে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে  তিনি একথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে বেশি সংক্রমিত এলাকায় আংশিক লকডাউন দিতে পরামর্শ দিয়েছি, যা দ্রুত সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ওয়াজ মাহফিল, বিয়ে-শাদি ও রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া সীমিত করার প্রস্তাব দিয়েছি। হোম অফিসের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, গত বছর মার্চ মাসে সংক্রমণের হার ২ শতাংশে ছিল, কিন্তু বর্তমানে সংক্রমণের হার ১৮ শতাংশে চলে এসেছে। করোনা প্রায় ৮/৯ গুণ বেড়ে গেছে। এই আক্রান্ত রোগীরা যদি একসঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে, তাহলে সেবা দেওয়া দুরূহ হয়ে পড়বে। 

এছাড়া গতকাল রবিবারা রাতেই দেশের কিছু এলাকায় নতুন করে বিধিনিষেধ আসছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘আজই হয়তো এর ডিক্লিয়ারেশন আসতে পারে। এটা বিভিন্ন টাইপের লকডাউন হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এর জন্য সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। বেশি সংক্রমিত এলাকায় আংশিক লকডাউন দিতে পরামর্শ দিয়েছি। দুই-এক দিনের মধ্যেই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে এসে যাবে।

পড়ুন: করোনা: পরীক্ষা স্থগিতসহ যেসব নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

তিনি বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে ২২ দফার যে প্রোপোজাল গেছে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব রয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দেখে যেটা ভালো মনে করবেন সে অনুযায়ী নির্দেশনা জারি করবেন। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লকডাউন থাকবে।’

প্রস্তাবানার মধ্যে আছে

১. সব ধরনের (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। কমিউনিটি সেন্টার/কনভেনশন সেন্টারে বিয়ে/জন্মদিন/সভা/সেমিনার ইত্যাদি অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা।

২. বাড়িতে বিয়ে/জন্মদিন ইত্যাদি অনুষ্ঠানে জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

৩. মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ন্যূনতম উপস্থিতি নিশ্চিত করা (ওয়াক্তিয়া নামাজে ৫-এর অধিক নয় এবং জুমার নামাজে ১০-এর অধিক নয়)।

৪. পর্যটন/বিনোদন কেন্দ্র/সিনেমা হল/থিয়েটার ও সব ধরনের মেলা বন্ধ রাখা।