০৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:২৯

ভ্যাকসিন রফতানি না করার সিদ্ধান্ত ভারতের

প্রতীকী

ভারতের ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউটকে ভ্যাকসিন রপ্তানির বিষয়ে অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করা অন্যান্য দেশগুলোকে ভ্যাকসিন পেতে আরও কয়েকমাস অপেক্ষা করা লাগতে পারে।

এর আগে গত শুক্রবার (১ জানুয়ারি) দেশটিতে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন জরুরি প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিল ভারত।

সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়াল্লা বলেন, রবিবার ভারতীয় নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ টিকার জরুরি অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু শর্ত হলো, ঝুঁকিতে থাকা ভারতীয় জনগণের জন্য ডোজ নিশ্চিত করতে রফতানি করতে পারবে না সেরাম ইন্সটিটিউট।

এদিকে গত ৫ নভেম্বর, অক্সফোর্ডের ৩ কোটি ডোজ কোভিড টিকার জন্য ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশের শীর্ষ ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি বেক্সিমকোর সঙ্গে চুক্তি করেছিল সরকার। ছয় মাসে প্রথম ধাপে বেক্সিমকোর মাধ্যমে প্রতি মাসে বাংলাদেশকে ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার কথা রয়েছে সেরামের।

এই চুক্তির আওতায় ভ্যাকসিন কিনতে গতকাল রবিবার (৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ থেকে ভারতে ৬০০ শ কোটি টাকা পাঠানোর কথা ছিল। জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী সেরাম ইনস্টিটিউট যদি আগামী জুনের মধ্যে টিকা দিতে না পারে তাহলে বাংলাদেশে অগ্রিম এই টাকা ফেরত নেবে। এজন্য ব্যাংক গ্যারান্টি দেবে সেরাম ইনস্টিটিউট।

তবে আদর পুনাওয়াল্লা বলেন, সেরাম এই মুহূর্তে বেসরকারি বাজারেও এই ভ্যাকসিন বিক্রি করতে পারবে না। তারা এই মুহূর্তে শুধুমাত্র ভারতীয় সরকারের কাছে ভ্যাকসিন হস্তান্তর করতে পারবেন।