করোনার আইজিজি উদ্ভাবনে এগিয়ে যাচ্ছে গণস্বাস্থ্য
এবার করোনাভাইরাসের আইজিজি (অতীতে যেকোনো সময় সংক্রমিত হয়ে থাকলে তা শনাক্ত) পরীক্ষার পদ্ধতি চালুর প্রক্রিয়া শুরু করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই উদ্ভাবনের প্রটোকল সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হবে বলে বুধবার রাতে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কভিড-১৯ গবেষণা বিভাগের সমন্বয়কারী ডা. মুহিবুল্লাহ খন্দকার।
ওই কর্মকর্তা জানান, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা তাঁদের করোনা পরীক্ষায় উদ্ভাবিত এন্টিবডি কিটের ট্রায়ালপ্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে; যা সম্পন্ন হলেই ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে তাঁদের উদ্ভাবিত অ্যান্টিজেন পরীক্ষার কিট নিয়ে কিছুটা জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাঁরা এর জন্য আরেকটি ডিভাইস এরই মধ্যে নতুন করে তৈরি করেছেন। আশা করা যায়, দুই-তিন দিনের মধ্যেই তা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রায়ালের জন্য জমা দেওয়া হবে।
তবে আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম আলমগীর বলেন, ডেঙ্গুতে যেমন আইজিজি করে দেখা গেছে, জীবনে একবার আক্রান্ত হলেও তা শনাক্ত হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাস ১৪-২১ দিন পর আর শনাক্ত করার পর্যায়ে থাকবে না। ফলে এই পরীক্ষা করা না করার কোনো মূল্য থাকে না বলে আরো অনেক দেশই এটি পরীক্ষা করেও পরে তা বন্ধ করে দিয়েছে।