করোনার যেসব তথ্য পেলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২৫ বিজ্ঞানী
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় সারা দেশে ২ হাজার ৩১৪ জন হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) আজ রোববার এই তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে চীনে ২৫ জন বিজ্ঞানী গিয়েছিলেন করোনাভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন কীভাবে রোগ ছড়ায় আর কারা বেশি আক্রান্ত হন।
এক নজরে করোনাভাইরাস:
• সব চেয়ে কম সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা শিশুদের
• কভিড-১৯ এর সচরাচর উপসর্গ জ্বর, শুকনো কাশি আর ক্লান্তি
• আক্রান্তদের গড় বয়স ৫১
• বাদুড়কে মনে করা হচ্ছে উৎস। কিন্তু এর মধ্যবর্তী পোষক কে (যে মানুষের মধ্যে তা ছড়িয়ে দেয়) তা স্পষ্ট নয়
• ছড়িয়ে পড়ে ঘনিষ্ঠ অনিরাপদ সংস্পর্শে "close unprotected contact"।
• বায়ু বাহিত সংক্রমণকে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান মাধ্যম বলা হচ্ছে না।
• বেশিরভাগ মানুষে মানুষে সংক্রমণ ঘটেছে পরিবারের মধ্যে
• করোনাভাইরাস একটি নতুন রোগজীবাণু যার বিরুদ্ধে মানুষের শরীরে কোনও প্রতিরোধ ব্যবস্থা নাই। মানুষ অরক্ষিত।
• ১৮ বছরের নিচে যারা তাদের মধ্যে সংক্রমণ সম্ভাবনা কম
• ভাইরাসের কারণে কোন উপসর্গ ছাড়া সংক্রমণ শুরু হয়ে গুরুতর নিউমোনিয়া এমনকি মৃত্যু হতে পারে। সংক্রমণের ৫-৬ দিনের মধ্যে মৃদু শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, জ্বর শুরু হতে পারে।
কী কী উপসর্গ কি পরিমাণে
• জ্বর ৮৭.৯ শতাংশ
• শুকনো কাশি ৬৭.৭ শতাংশ
• ক্লান্তি ৩৮.১ শতাংশ
• শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ, শ্লেষ্মা, লালা নির্গমন ৩৩.৪ শতাংশ
• শ্বাসকষ্ট ১৮.৬ শতাংশ
• গলা ব্যথা ১৩.৯ শতাংশ
• মাথা ধরা ১৩.৬ শতাংশ
• শীত শীত ভাব ১১.৬ শতাংশ
• ৮১ শতাংশ রোগীর সংক্রমণ ছিল মৃদু থেকে মাঝারি মানের,
• ১৩.৮ গুরুতর
• ৬.১ সঙ্কটাপন্ন
• যারা ৬০ ঊর্ধ্ব আর যাদের অন্য অসুখ এদের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি