২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:২৮

যেভাবে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড, আবেদন কীভাবে?

সরকারি লগো  © সংগৃহীত

দেশের প্রতিটি পরিবারকে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও খাদ্য সহায়তার আওতায় আনতে 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। ঈদের আগেই এ কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তবে ফ্যামিলি কার্ড পেতে কীভাবে আবেদন করতে হবে, কোথায় জমা দিতে হবে এবং আবেদন করতে কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন হবে তা অনেকেরই অজানা। 

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, আবেদন প্রক্রিয়া এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি, তবে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী কয়েকটি ধাপে এটি বাস্তবায়িত হবে। প্রথমে একটি উপকমিটি ভাতার পরিমাণ ও নীতিমালার চূড়ান্ত রূপরেখা দেবে। এরপর পাইলট প্রকল্প চালু করে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করা হবে।

পরবর্তীতে এই প্রকল্প ধীরে ধীরে দেশের সব উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সম্প্রসারণ করা হবে। তখন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহের সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে, যাতে ঘরে বসেই আবেদন করা যায়।

সূত্র আরও জানায়, আবেদন করতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে। প্রতি পরিবারে একটি কার্ড দেওয়া হবে এবং এই কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুবিধা দেওয়া হতে পারে। 

ফ্যামিলি কার্ডের মূল লক্ষ্য ও সুবিধা:
বিএনপির ঘোষিত এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলো ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের ( বাজারে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করতে পারবে:

১. আর্থিক সহায়তা: প্রতিটি কার্ডধারী পরিবারকে প্রতি মাসে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

২. খাদ্য নিরাপত্তা: টাকার পরিবর্তে বা পাশাপাশি চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সুলভ মূল্যে বা বিনামূল্যে সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩. সার্বজনীন অন্তর্ভুক্তি: দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি কেবল নির্দিষ্ট শ্রেণির জন্য নয়, বরং দেশের প্রতিটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় আনা হবে।