১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:১৫

জাতীয় নির্বাচনে ‘জীবনে প্রথমবার’ ভোট দিলেন এমপি প্রার্থী

ভোটকেন্দ্রে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খাঁন  © টিডিসি ফটো

নিজের প্রতীকে ভোটপ্রদানের মধ্য দিয়ে ‘জীবনে প্রথমবারের মতো’ জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খাঁন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটায় খোকসার মানিকাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে  উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদান করেন তিনি।

জানা যায়, জীবনের শুরুর দিক থেকেই প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন আলহাজ্ব আনোয়ার খাঁন। প্রবাস থেকে ফিরে নিজের এলাকায় ব্যবসা শুরু করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার নিজেই প্রার্থী হয়েছেন।

বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করে আলহাজ্ব আনোয়ার খাঁন বলেন, এখন পর্যন্ত ভোট নিয়ে কোন শঙ্কা নেই। যে কয়টি কেন্দ্র ঘুরেছি, প্রতিটি কেন্দ্রই ঠিকঠাক আছে এবং মানুষের ভালো উপস্থিতি আছে, তারা ভোট দিচ্ছে। এখনো কোনো কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কথা শুনিনি। প্রশাসন তাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য চেষ্টা করছে। ইনশাআল্লাহ, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে হাতপাখা প্রতীককেই বেছে নিবে।

নিজের প্রথম ভোটদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা। একটি দীর্ঘসময় বিদেশে থাকার কারণে ভোট দেয়ার সুযোগ হয়নি।  এবার প্রথমবার নিজেই দাঁড়িয়েছি, নিজেই ভোট দিয়েছি।

প্রথমবার ভোট দেওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, এজন্য অনেক আনন্দিত এবং খুশি লাগছে। প্রথম ভোট দিয়ে উপলব্ধি করলাম আসলে ভোটটা কি! আমার ভোটে একজন চুরি করবে, দূর্নীতি করবে, এটার ভাগ আমাকে নিতে হবে- ভেবে অনেকেই ভোট দিতে চায়না। কিন্তু এবার মানুষ ভালো কিছু করবে, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দিবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।

এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সকাল থেকেই এই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে উচ্ছ্বসিত ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে হাজির হয়েছেন।

কুমারখালী ও খোকসা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৪ হাজার ৪১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৩ হাজার ৫০৪ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১০ হাজার ৯০৮ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৫ জন।

ইসলামী আন্দোলন ছাড়াও এই আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে মূলত ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।