ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা-ভয়ভীতি প্রদর্শনে আইনি ব্যবস্থা, নজরদারি চলবে ড্রোনে
নির্বাচনের দিন ভোট কেনাবেচা এবং ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের ব্যাপারে নজরদারি করতে ড্রোন ব্যবহার করবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর্থিক লেনদেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভোটারদের ভোটপ্রদানে প্রভাবিত করতে গিয়ে ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ভোট কেনাবেচা ও জাল ভোট দেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এর সাথে জড়িতদেরকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা দিলে বা ভয়ভীতি দেখালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোট কেনাবেচা বা আর্থিক প্রলোভন দেখানো গুরুতর অপরাধ। জাল ভোট প্রদানের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার ও শাস্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কেন্দ্রগুলোতে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি দিয়েও নজরদারি করা হবে। কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আকাশপথে ড্রোনের সাহায্যে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের পোশাকে বডি ওর্ন ক্যামেরা (গোপন ক্যামেরা) থাকবে। অর্থ দিয়ে ভোট কেনা বা ভোটারদের বাধা দেওয়ার মতো কোনো তৎপরতা রেকর্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসি।